—প্রতীকী চিত্র।
দু’দিনে প্রায় ১০,০০০ টাকা চড়ল খুচরো পাকা সোনার দাম। কেজিতে খুচরো রুপোর উত্থান প্রায় ২৬,০০০ টাকা। এই অবস্থায় হলুদ ধাতুটির জোগান বাড়িয়ে তার দামকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশের মানুষের ঘরে থাকা সোনাকে কাজে লাগানোর সওয়াল করলেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।
ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের চিফ বিজ়নেস ডেভেলপমেন্টে অফিসার শ্রীরাম কৃষ্ণনের মতে, দেশে মানুষের ঘরে ও মন্দিরে প্রায় ৫০,০০০ টন সোনা মজুত রয়েছে। যার মূল্য প্রায় ১০ লক্ষ কোটি ডলার (প্রায় ৯৪০ লক্ষ কোটি টাকা)। অথচ তা কাজে লাগে না। কী ভাবে ওই সোনা বাজারে আনা যায়, কেন্দ্রের তার উপায় খোঁজা জরুরি। একই কথা জানান আর্থিক বিষয়ক সংসদীয় কমিশনের সদস্য ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি পি চৌধুরীও। তাঁদের দাবি, এতে বাঁচানো যাবে বিদেশি মুদ্রা। কমবে বাণিজ্য ঘাটতি। রাশ থাকবে সোনার দামে। তবে অন্য অংশের বক্তব্য, এর আগে এই লক্ষ্যে গোল্ড মনিটাইজ়েশন স্কিম এনেছিল মোদী সরকার। প্রথমে তাতে সাড়া মিললেও, এখন প্রচার বা লগ্নি চোখে পড়ে না। ফলে নতুন পদক্ষেপ করলেও, কতটা কাজ হবে সেই প্রশ্ন থাকছেই।
উল্লেখ্য, বছরে ৭০০-১০০০ টন সোনা আমদানি করে ভারত। যা গয়না তৈরির পাশাপাশি, লগ্নির বড় মাধ্যম। তবে কলকাতার বুলিয়ন ব্যবসায়ী জেজে গোল্ডের কর্তা হর্ষদ অজমেঢ়ার দাবি, গত বছর ১২০০ টন সোনার গয়নায় হলমার্কিং হয়েছে। যার বড় অংশ পুরনো গয়নার সোনা দিয়ে তৈরি।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে