—প্রতীকী চিত্র।
মাসের শেষ লেনদেনের দিনে দেশীয় আর্থিক সংস্থাগুলির ১২,২৯২.৮১ কোটি টাকার লগ্নিও রুখতে পারল না শেয়ার বাজারের পতন। শুক্রবার সেনসেক্স ৯৬১.৪২ পয়েন্ট নেমে হল ৮১,২৮৭.১৯। বিএসই-র লগ্নিকারীরা হারালেন ৪.৯৮ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি শেয়ার সম্পদ। নিফ্টি ৩১৭.৯০ পয়েন্ট পড়ে থামল ২৫,১৭৮.৬৫-তে।
এ দিন সূচকের পতনের জের পড়েছে টাকার দামেও। প্রতি ডলারের ১৭ পয়সা বেড়ে হয়েছে ৯১.০৮ টাকা। বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম মাথা তোলা এবং বিদেশি লগ্নিকারী সংস্থাগুলির পুঁজি তুলে নেওয়াও প্রভাব ফেলেছে ভারতীয় মুদ্রার দরে।
বিশেষজ্ঞ কমল পারেখ বলেন, ‘‘বর্তমান অবস্থায় সূচক বেশি ওঠার সম্ভাবনা কম। মাঝে উঠলেও, তা দ্রুত নামতে পারে।’’ এ দিন বাজার পড়ার পিছনে মূলত আমেরিকা-ইরানের সম্পর্কের অবনতিই কারণ বলে বক্তব্য বিশেষজ্ঞ বিনয় আগরওয়ালের। পটনাআইআইটির অর্থনীতির অধ্যাপক রাজেন্দ্র পরামানিকের মতে, ভূ-রাজনৈতিক অবস্থা জটিল হওয়া ওসূচকের পতন টাকার দাম মূল কারণ। আগামী দিনে তা আরও পড়তে পারে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে