সেনসেক্স ৮৮০.৩৪ পয়েন্ট পড়ে হয়েছে ৭৯,৪৫৪.৪৭। —প্রতীকী চিত্র।
ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত সংঘর্ষের প্রভাব পড়তে শুরু করল শেয়ার বাজারে। সপ্তাহের শেষ লেনদেনের দিনে সেনসেক্স এবং নিফ্টি পড়ল প্রায় ১%। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয় দিন মাথা নামাল শেয়ার সূচক। এই দু’দিনে লগ্নিকারীদের ৭ লক্ষ কোটি টাকার পুঁজি মুছে গিয়েছে। বৃহস্পতিবারের বিপুল পতনের পরে এ দিন অবশ্য ডলারের নিরিখে টাকার দাম বেড়েছে।
এ দিন সেনসেক্স ৮৮০.৩৪ পয়েন্ট পড়ে হয়েছে ৭৯,৪৫৪.৪৭। অর্থাৎ, ফের নেমেছে ৮০ হাজারের নীচে। নিফ্টি ২৬৫.৮০ পয়েন্ট পড়ে হয়েছে ২৪,০০৮। ছোট শেয়ারগুলির সূচক ০.৩০% কমেছে। মাঝারি মাপের শেয়ারগুলির ক্ষেত্রে তা কমেছে ০.১০%। গোটা সপ্তাহে ১০৪৭.৫২ পয়েন্ট মাথা নামিয়েছে সেনসেক্স। নিফ্টি ৩৩৮.৭। এ দিন ১ ডলারের দাম ২২ পয়সা কমে হয়েছে
৮৫.৩৬ টাকা।
বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা, পহেলগামে সন্ত্রাসবাদী আক্রমণের পরে দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা শেয়ার বাজারের ছিল। কিন্তু তার ব্যাপ্তি সম্পর্কে ধারণা ছিল না তার। ফলে বৃহস্পতিবার রাতভর সংঘর্ষের পরে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। তার প্রভাব পড়েছে সূচকে। ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রাক্তন ডিরেক্টর বিনয় আগরওয়াল বলেন, ‘‘পরিস্থিতি ভালই ছিল। ভারত-ব্রিটেন, আমেরিকা-ব্রিটেনের অবাধ বাণিজ্য চুক্তির কাজ শেষ হয়েছিল। আমেরিকা এবং চিনের শুল্ক যুদ্ধও স্তিমিত হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তার প্রভাব পড়ছিল বাজারে। কিন্তু ভারত-পাকিস্তানের সংঘর্ষ আপাতত তাতে জল ঢেলে দিয়েছে। তবে আমার ধারণা এই সংঘর্ষ বেশি দিন চলবে না। তার পরিসমাপ্তি হবে ভারতের পক্ষে। বাজার হারানো জমি উদ্ধার তো করবেই, আরও উপরে উঠতে পারে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে