—প্রতীকী চিত্র।
দীর্ঘ দিন ধরেই দেশে মাত্র তিন-চারটি সংস্থা টেলিকম পরিষেবা দিচ্ছে। সূত্রের খবর, এ বার তার সংখ্যা বাড়াতে তৎপর হয়েছে ট্রাই। সেই লক্ষ্যে সম্প্রতি ৫জি স্পেকট্রামের দাম কমিয়ে দিয়েছে টেলিকম ক্ষেত্রের এই নিয়ন্ত্রকটি। আসন্ন ওই স্পেকট্রামের নিলামে অংশগ্রহণের জন্য ন্যূনতম দাম ৩৭% পর্যন্ত কমিয়ে এনেছে তারা। মনে করা হচ্ছে, এর ফলে অনেক নতুন সংস্থা টেলি পরিষেবা ক্ষেত্রে পা রাখার জন্য নিলামে অংশগ্রহণ করতে পারে।
সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশের মতে, দেশে হাতে গোনা টেলিকম পরিষেবা প্রদানকারী থাকায় ভোডাফোন আইডিয়া (ভি) আর্থিক সাহায্য চাওয়ার পরে কেন্দ্র তা উড়িয়ে দিতে পারেনি। সুপ্রিম কোর্ট ভি-কে বাঁচাতে সরকারকে বকেয়া মকুবের কথা ভেবে দেখার বার্তা দিয়েছিল ঠিকই। তবে ক্রেতার স্বার্থ রক্ষায় এবং শিল্পে ভারসাম্য বহাল রাখতে যে অন্তত তিন-চারটি সংস্থা না থাকলে নয়, তা-ও বুঝেছিল তারা। সংস্থার সংখ্যা বৃদ্ধির চেষ্টা তাই সচেতন ভাবেই করা হচ্ছে বলে খবর। অন্য অংশের দাবি, এ ক্ষেত্রে রাজকোষ ভরানোর চিন্তাই মূলত কাজ করেছে। এর আগে চড়া দামে স্পেকট্রাম কেনার জন্য তেমন আবেদন জমা না পড়ার উদাহরণ রয়েছে। তার উপর ভি-র মতো সংস্থার আর্থিক জোরও কম।
জানা গিয়েছে, আলাদা আলাদা ফ্রিকোয়েন্সির স্পেকট্রামের জন্য দাম কমার হার আলাদা আলাদা। ন্যূনতম দাম কমেছে ৭%, সর্বাধিক ৩৭%। ট্রাই জানিয়েছে, প্রায় ১২ হাজার মেগাহার্ৎজ় স্পেকট্রাম নিলাম করা হবে, যা ৯টি আলাদা ফ্রিকোয়েন্সিতে রয়েছে। মোটামুটি সারা ভারতের জন্য এই স্পেকট্রাম নিলাম করে সরকারের ঘরে ২.৫ লক্ষ কোটি টাকার মতো আসতে পারে। এ ছাড়াও ট্রাইয়ের পক্ষ থেকে টেলিকম বিভাগকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এয়ারসেল, টাটা টেলিকমের মতো সংস্থার হাতে থাকা অব্যবহৃত স্পেকট্রাম ফিরিয়ে নিতে। যাতে তা ফের নিলাম করে ব্যবহার করা যায়। সরকারি সূত্রের বার্তা, আগামী দিনে দেশে ৫জি টেলিকম পরিষেবা আরও শক্তিশালী এবং প্রতিযোগিতামূলক করাই লক্ষ্য মোদী সরকারের।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে