খুদেদের আধারের বাধ্যতামূলক বায়োমেট্রিক সংশোধনের (আপডেট) কাজ চলছে। ফাইল চিত্র।
আধার কর্তৃপক্ষ ইউআইডিএআই দেশ জুড়ে ৮৩,০০০ স্কুলের এক কোটি পড়ুয়ার আধারের বাধ্যতামূলক বায়োমেট্রিক সংশোধনের (আপডেট) কাজ শেষ করেছে। আধার নথিভুক্তি কেন্দ্র এবং আধার সেবা কেন্দ্রগুলিতে আসা ১.৩ কোটি শিশুর ক্ষেত্রেও সম্পূর্ণ হয়েছে ওই প্রক্রিয়া। সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইউআইডিএআই গত ১ অক্টোবর থেকে এক বছরের জন্য ৭ থেকে ১৫ বছর বয়সি শিশুদের বায়োমেট্রিক তথ্য বদলের পরিষেবাটি বিনামূল্যে দিচ্ছে। দেশের সব স্কুল এই কর্মসূচির আওতায় না আসা পর্যন্ত তা চালু থাকবে। কেউ বাদ পড়ে যাচ্ছে কি না, তা-ও বিভিন্ন স্কুলের সঙ্গে যৌথ ভাবে খুঁজে দেখছেন কর্তৃপক্ষ।
এখন নিয়ম অনুযায়ী, পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুকে আধারে নথিভুক্ত করা যায় তার ছবি, নাম, জন্মতারিখ, লিঙ্গ, ঠিকানা এবং জন্মের শংসাপত্র দিয়ে। তবে পাঁচ বছরের আগে বায়োমেট্রিক তথ্যের জন্য তাদের আঙুলের ছাপ এবং চোখের মণির ছবি সংগ্রহ করা হয় না সেগুলির পরিণত না হওয়ার কারণে। যে কারণে প্রত্যেকের পাঁচ বছর পার হওয়ার পরে এক বার এবং ১৫ বছর পেরিয়ে আরও এক বার বাধ্যতামূলক ভাবে বায়োমেট্রিক তথ্য জমা দিতে বা সংশোধন করতে হয়। দেশ জুড়ে এখন সেই প্রক্রিয়াই চলছে।
সরকারি সূত্রের দাবি, আধারে বায়োমেট্রিক আপডেট করা না থাকলে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের অধীনে সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। পড়ুয়া বিপাকে পড়তে পারে নিট, জয়েন্ট, সিইউইটি-র মতো প্রতিযোগিতামূলক এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষায় নথিভুক্তির সময়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ইউনিফায়েড ডিস্ট্রিক্ট ইনফর্মেশন সিস্টেম ফর এডুকেশন প্লাস অ্যাপ্লিকেশন’-এর সঙ্গে প্রযুক্তিগত সমন্বয়ের পরে ইউআইডিএআই ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল পড়ুয়াদের বাধ্যতামূলক বায়োমেট্রিক সংগ্রহ বা বদলের অভিযান শুরু করেছিল। যে শিশুদের তা করানোর সময় হয়েছে, প্রযুক্তি মারফত তাদের চিহ্নিত করা হয়। পরে, বিভিন্ন স্কুলে শিবির করে তথ্য সংগ্রহ বা সংশোধন চলে।
ইউআইডিএআই-এর সিইও ভুবনেশ কুমার এই উদ্যোগ সম্পর্কে সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য সচিবদের কাছে চিঠি লিখে আরও শিবির বসাতে তাঁদের সমর্থন চেয়েছেন। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্কুলে আয়োজিত শিবির ছাড়াও, সারা দেশে চালু থাকা যে কোনও আধার নথিভুক্তি কেন্দ্র এবং আধার সেবা কেন্দ্র থেকেও এই কাজ সারা যাবে।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে