—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
উত্তরের জীবনরেখা, এর চেয়ে সুপ্রযুক্ত শব্দবন্ধ আর কী-ই বা হতে পারে তিস্তা সম্পর্কে! জলপাইগুড়ি থেকে প্রকাশিত পত্রিকাটির পাঁচশো পাতা ছুঁই-ছুঁই সংখ্যায় তাকেই ঘিরে ইতিহাস সাহিত্য বিজ্ঞান পরিবেশের আলোয় স্মৃতি ও সত্তার ছানবিন। তিস্তার অতীতধারা ও বর্তমান প্রবাহের মাঝখানে বয়ে গিয়েছে যে প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক অবহেলা, লোভ, উপেক্ষার স্রোত, সে-কথা যেমন ধরা আছে নানা নিবন্ধে, তেমনই আছে ব্যক্তিগত স্মৃতি-মাখা ’৬৮-র ভয়াল বন্যার বয়ান, দেশভাগ ও তিস্তা, তিস্তাপারের লোককথা প্রত্নকথা নাচ জীববৈচিত্র জনপদ নিয়ে আলোকপাত। তিস্তা অববাহিকা অঞ্চলে উন্নয়নের নানা সমস্যা, নদী ও ব্যারাজ ঘিরে সঙ্কট, সিকিম-পশ্চিমবঙ্গ-বাংলাদেশে তার প্রভাব, সমাধানসূত্রেরও খোঁজ। জরুরি কাজ।
দ্যোতনা, তিস্তা উত্তরের জীবনরেখা
সম্পা: গৌতম গুহ রায়
৪৯৯.০০
ঔপনিবেশিক শাসকের হাত ধরে একদা গড়ে উঠেছিল এ রাজ্যের উত্তর প্রান্তীয় ভূ-ভাগে চা-বাগান ও চা-শিল্প। গত প্রায় দেড়শো বছর ধরে তা লক্ষ লক্ষ মানুষের উপার্জনস্থল; মিশ্র সংস্কৃতি তথা বহুত্বের লালনভূমি। কেমন আছে উত্তরের চা-বলয়, চা-শ্রমিকসমাজ? এই অর্থকরী ফসল-শিল্পের গতিপ্রকৃতিই বা কোন পথে? কোচবিহার থেকে প্রকাশিত পত্রিকার এই সংখ্যায় তথ্যসমৃদ্ধ একগুচ্ছ নিবন্ধে লেখকেরা সেই উত্তর খুঁজেছেন। চা-বাগানের অতীত ইতিহাস, ব্রিটিশ আমলে চা-শ্রমিকদের শোষণ থেকে শুরু করে এ-কালে শ্রমিকদের জমি মজুরি ও জীবিকা-সঙ্কট, ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের কথা উঠে এসেছে লেখায়। বিশেষ কয়েকটি চা-বাগানের চুম্বকে আলোচিত হয়েছে উত্তরের চায়ের সঙ্কট ও সম্ভাবনা। ক্ষুধা, অপুষ্টি, মানব পাচার কী ভাবে জড়িয়ে আছে এই শিল্পকে, তা-ও।
উত্তর প্রসঙ্গ, উত্তরের চা: সার্ধশতবর্ষ পেরিয়ে
সম্পা: দেবব্রত চাকি
৪০০.০০
“সবাই বলল যে রাস্তায় প্রচণ্ড মিছিল বেরিয়েছে উত্তমকুমার মারা গেছেন। পুরো কলকাতা শহর ভেঙে পড়েছে এবং ওই কেওড়াতলা শ্মশানের দিকে যাওয়ার জন্য বা তাঁকে শেষ দেখা দেখাবার জন্য ভীষণ ভিড় লাইন এবং বাসও আর চলছে না।” সোমা ভদ্র রায়ের স্মৃতিচারণ, মহানায়কের মৃত্যুদিন ঘিরে, তখন স্কুলে পড়েন। তাঁর লেখনীতে ধরা পড়েছে দক্ষিণ কলকাতার সে আমলের আরও নানা ছবি: স্টুডিয়োপাড়া, মেট্রোর কাজ, হাজরা মোড়ের মিষ্টির দোকানের রসকদম্ব। এর অন্য ছবি রামকুমার মুখোপাধ্যায়ের ‘আমি ও আমার ছোটোবেলার গ্রাম’ লেখাটিতে: “গ্রামে যখন অধিকাংশই গোরুর গাড়ি, কয়েকটা সাইকেল আর গোটা দুই রাজদূত মোটরবাইক, বিডিও তখন জিপ বা মোটরগাড়ি চড়ে আসতেন আর শীতে শোয়েটারের বদলে কোট পরতেন।” এমনই নানা জনপদের চিত্র, তৈমুর খান শিপ্রা চক্রবর্তী গদাধর দে শামছুন নাহার প্রমুখের কলমে। জনপদ ও জনপথের তফাতটি স্পষ্ট হয়েছে সম্পাদকীয়তে। চার পর্বে বিন্যস্ত রচনাদি: আত্মকথা, ইতিহাস, সাহিত্যের মধ্য দিয়ে পাঠক জল-মাটির ছোঁয়া পাবেন।
সমকালের জিয়নকাঠি, জনপদ জনপথ ১
সম্পা: নাজিবুল ইসলাম মণ্ডল
৫০০.০০
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে