দিল্লি ডায়েরি

সর্দার পটেলের বিশাল মূর্তি স্থাপনার আগে প্রচার চলেছে দেশ জুড়ে।

Advertisement

জয়ন্ত ঘোষাল, প্রেমাংশু চৌধুরী

শেষ আপডেট: ০৪ নভেম্বর ২০১৮ ০০:৫১
Share:

মোদীর ছবি ছাড়াই মূর্তির প্রচার

Advertisement

সর্দার পটেলের বিশাল মূর্তি স্থাপনার আগে প্রচার চলেছে দেশ জুড়ে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীসগঢ় আর মিজ়োরামে। এই রাজ্যগুলিতে ভোটপর্ব চলছে, তাই নরেন্দ্র মোদীর ছবি দিয়ে সরকারি বিজ্ঞাপন দেওয়া বা প্রকাশ করা চলবে না। তবে শুধু মূর্তির কথা বলা যাবে। আইনের কতই না ফাঁক! দূরদর্শনে, নানান চ্যানেলে, ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচার তো চলেছেই। সে সবই নাকি ‘জাতীয় প্রচার’। রাজ্যভিত্তিক ভোটকেন্দ্রিক নয়। তাতে কী, মানুষ তো জানতেই পারছে। বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো?

আরম্ভ: সর্দার পটেলের মূর্তি উদ্বোধনে নরেন্দ্র মোদী। পিটিআই

Advertisement

জন্মদিনে ‘না’

৮ নভেম্বর জন্মদিন লালকৃষ্ণ আডবাণীর। ব্রিটিশ ভারতে ১৯২৭ সালে করাচিতে জন্ম তাঁর। প্রতি বছর বাড়িতে বাবার জন্মদিন পালন করেন তাঁর কন্যা প্রতিভা। এ বার অবশ্য কিছু হচ্ছে না। অটলবিহারী বাজপেয়ীর মৃত্যুতে তিনি শোকাহত, এ বছর তাই জন্মদিন পালনের ব্যাপারে আগে থেকেই নিষেধ করেছেন আডবাণী। আবার কিছু দিন আগে তাঁর শ্যালিকারও মৃত্যু হয়েছে। মুম্বইয়ে থাকতেন স্ত্রী কমলার নিজের বোন। তাঁর শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে যোগ দিতে এই বয়সেও সম্প্রতি মুম্বই গিয়েছিলেন আডবাণী। কমলা আডবাণীর মৃত্যুর পর থেকেই বিষণ্ণ তিনি। আজকাল ওঁর বাড়িতে দেখা করতে আসা মানুষের ভিড়ও কম। সময় কাটান সিনেমা দেখে। বলছিলেন, রাজনীতির বই পড়তেও আজকাল আর ভাল লাগে না।

মন্ত্রী চাই

অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনন্ত কুমার দীর্ঘ দিন আমেরিকায় কাটিয়ে এখন বেঙ্গালুরুতে নিজের বাড়িতেই। একটি ঘর নার্সিংহোমের মতো তৈরি করে তাঁকে রাখা হয়েছে। অনন্ত কুমার দিল্লির বদলে বেঙ্গালুরুতে থাকাটাই বেছে নিয়েছেন। কেউ তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না, যাচ্ছেন শুধু স্ত্রী, আর আত্মীয়স্বজনদের কেউ কেউ। এই অবস্থায় মন্ত্রিত্ব থাকলেও মোদীর প্রয়োজন এক জন সংসদীয় মন্ত্রী। ভোটের আগে সংসদীয় অধিবেশন খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিজয় গোয়েল সংসদীয় রাজ্যমন্ত্রী, তিনিই আপাতত অনন্ত কুমারের কাজ করছেন। তবে কর্নাটকের আর এক ব্রাহ্মণ ও মোদী-ঘনিষ্ঠ নেতা হেগড়েকে প্রধানমন্ত্রী এ বার পূর্ণমন্ত্রীর মর্যাদা দিতে পারেন, গুঞ্জন।

বরুণের বই

কী করছেন বরুণ গাঁধী? কেউ বলছেন, তিনি এ বার বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেবেন। কেউ বলছেন, ওঁকে অমিত শাহ টিকিট দিতে চান না। বরুণ কিন্তু ব্যস্ত অন্য একটা ব্যাপারে। নভেম্বরেই তিনি প্রকাশ করতে চলেছেন গবেষণাগ্রন্থ দ্য রুরাল ম্যানিফেস্টো— গ্রামীণ ইস্তেহার। দিল্লি যে ভারত নয়, সেটাই তিনি জানাতে চান দীর্ঘ কয়েক বছরব্যাপী ভারতের নানা রাজ্যের বহু গ্রামের অর্থনীতির হাল-হকিকত প্রকাশ করে। প্রায় ২০০০ পৃষ্ঠার ‘মহাভারত’!

নেট প্র্যাকটিস

পাল্টা: গৌতম গম্ভীর

ক্রিজ়ে ব্যাটিংয়ের সময় প্রতিপক্ষের বোলার বা ফিল্ডাররা স্লেজিং করলে মুখেই পাল্টা জবাব দেওয়া পছন্দ করতেন গৌতম গম্ভীর। কিন্তু এ বার তাঁর স্লেজিংয়ের মুখে পড়লেন অরবিন্দ কেজরীবালের আপ সরকার। দিল্লির দূষণ আর ডেঙ্গি নিয়ে আপ সরকারকে নিশানা করে গম্ভীর প্যারডি বানিয়েছেন: ‘দর্দে দিল, দর্দে জিগর, দিল্লি মে জাগায়া আপ নে/ পহলে তো ইয়াহাঁ অক্সিজেন থা, অক্সিজেন ভাগায়া আপ নে!’ তাঁর অভিযোগ, এক বছর সময় পেলেও কেজরীবাল সরকার ও আম আদমি পার্টি দিল্লির দূষণ আর ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে কিছুই করেনি। গৌতম রাজনীতিতে আসবেন বলে অনেক দিনের জল্পনা। এখন শোনা যাচ্ছে, দক্ষিণ দিল্লি লোকসভা আসনে বিজেপির প্রার্থী হবেন তিনি। কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রাক্তন ক্যাপ্টেন কি তারই নেট প্র্যাকটিস শুরু করে দিলেন!

কী হচ্ছে

মোবাইল ফোনে কল ড্রপ ভয়ঙ্কর জায়গায় পৌঁছেছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব ফোনেই বার বার নেটওয়ার্ক চলে যাচ্ছিল, কল ড্রপও হচ্ছিল। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী কেন্দ্রীয় টেলি-যোগাযোগ মন্ত্রী মনোজ সিন্‌হাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করেন, এত দিনেও কেন এই সমস্যা মিটছে না? ব্যাপারটা কী, তদন্ত করুন। লজ্জিত মন্ত্রী বলেছেন, আমি দেখছি, প্রাইভেট কোম্পানিগুলির সঙ্গে আলোচনায় বসে সমাধানের রাস্তা খুঁজছি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement