সম্পাদক সমীপেষু:স্মরণীয় লেখিকা


দেখে ভাল লাগল, গুগল ইসমত চুঘতাই-এর ১০৭তম জন্মদিন স্মরণ করেছে। গুগল-এর ‘ডুড্ল’-এর মাধ্যমে এই অসামান্য লেখিকার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হল, তা অবশ্যই সাধুবাদযোগ্য। লেখিকা সেই ১৯৩০-এর দশক থেকে যে নারীবাদী ও সাহসী প্রগতিশীল লেখালিখি করেছেন, তাঁর জন্য তাঁকে অশেষ দুর্বাক্য সহ্য করতে হয়েছে, অশ্লীলতার মামলাতেও অভিযুক্ত হয়েছেন। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, রক্ষণশীলের চিৎকার নয়, শেষ অবধি সুচেতনাই জয়ী হয়।

সমৃদ্ধ সাহা

কলকাতা-৩৩

হাওড়ার নাম

হাওড়া শহর নিয়ে প্রস্তাব: ১) দানেশ শেখ লেন অঞ্চলের একশো ফুট রাস্তাটিকে কোনও প্রকারে উড়াল পুলের মাধ্যমে কোনা এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। ২) পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা হলেও প্রধান সচিবালয়টি (নবান্ন) হাওড়ায়। এই অসামঞ্জস্য দূর করতে হাওড়া শহরের নাম হোক ‘পশ্চিম কলকাতা’।

সুশান্ত কুমার ঘোষ

অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, শিবপুর দীনবন্ধু কলেজ, হাওড়া

বিদ্যুৎ নেই

আমাদের বাড়ি সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকায়। পাথরপ্রতিমা ব্লকের শ্রীধরনগর গ্রাম। না আছে পাকা রাস্তা, না আছে ইলেকট্রিসিটি। ইলেকট্রিক পোস্ট আছে, কিন্তু বিদ্যুৎ নেই। বাড়ি বাড়ি মিটারও দেওয়া হয়নি প্রায় দু’বছর। খাওয়ার জল পর্যন্ত ঠিকমতো নেই। নলকূপ আছে, কিন্তু জল পড়ে না। কোনও হাসপাতাল বা উপযুক্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্র নেই। অন্তত বিদ্যুৎ সংযোগ করে দিলে গ্রামের বহু মানুষ উপকৃত হন।

শুভেন্দু সাউ

শ্রীধরনগর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা

পুকুরের দশা

গড়িয়ার ১১১ নং ওয়ার্ডে বাসনা কালীবাড়ির ঠিক উল্টো দিকে রয়েছে একটা পুকুর, এলাকার পুরনো বাসিন্দাদের কাছে এর নাম কালিগঙ্গা। শ্রীমন্ত সওদাগরের তৈরি ঘাট মনে করিয়ে দেয়, অনেক বছর আগে এই স্থান দিয়ে প্রবাহিত হত গঙ্গা। এখনও এই অঞ্চলের বেশির ভাগ প্রতিমা এই পুকুরেই বিসর্জন দেওয়া হয়। গড়িয়া শ্মশান থেকে, দাহ করার পর শ্মশানযাত্রীরা আসেন বাকি ক্রিয়াকর্মের জন্য। এই অঞ্চলের লোকজন আসেন তর্পণ করতে। যদিও এই কালিগঙ্গার গঙ্গাপ্রাপ্তি হয়েছে অনেক দিন আগেই। এখন এটা জীবাণুর কারখানা।

সুপ্রিয় রায়

গড়িয়া

উত্তরপাড়া

কলকাতার উপকণ্ঠে উত্তরপাড়া একটি শতাব্দীপ্রাচীন শহর। শহরটির কলকাতার সঙ্গে যোগাযোগের দু’টি লাইফলাইন। পূর্বে জি টি রোড আর পশ্চিমে রেল স্টেশন। সৌন্দর্যায়নের সৌজন্যে জি টি রোডের ভোল পাল্টালেও, রেল স্টেশনটির শ্রীবৃদ্ধি চোখে পড়ে না। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে স্টেশন চত্বরটি লোহার বেড়াজালে মুড়ে দেওয়ায়, ওভারব্রিজটাই যাত্রী নিষ্ক্রমণের একমাত্র বৈধ উপায়। যদিও নজরদারির অভাবে, সিঁড়ি ভাঙার অনীহায়, আর সময় বাঁচাতে সিংহভাগ যাত্রী রেলিংয়ের ফাঁক গলেই বেরিয়ে যান। শহরের এ পার ও পার যাতায়াতের জন্য দক্ষিণে লেভেল ক্রসিং আর উত্তরে উন্মুক্ত রেললাইনই একমাত্র ভরসা। মুহুর্মুহু ট্রেন চলাচলে ঘন ঘন গেট পড়ে যাওয়ায়, মেন রাস্তাটিতে অহরহ জটযন্ত্রণা লেগেই থাকে।

দেবব্রত সেনগুপ্ত

কোন্নগর, হুগলি

স্টেশনের পাশে

বেলঘরিয়ার স্টেশন সংলগ্ন এলাকার করুণ অবস্থার কথা তুলে ধরতে চাই। ১) ফিডার রোড গলিতে পরিণত হয়েছে। রাস্তার দু’ধারে ফল ফুলের দোকান, তার পাশে অটো স্ট্যান্ড, ভাঙাচোরা বাজার— কোনও সংস্কার হয়নি বহু দিন। নাগরিক পরিষেবা বলে কিছু নেই। ফিডার রোড কাম ইউরিনালের পাশ দিয়ে স্টেশন যেতে হয়। চারিদিকে আবর্জনার স্তূপ। ২) এখানে কোনও স্টেট বাস, এসি বাস, ট্যাক্সি, কিছুই নেই। একমাত্র ভরসা দু’একটি বেসরকারি বাস অটো এবং ট্রেন। ওই সরু রাস্তা দিয়ে অফিস টাইমে প্রাণ হাতে করে যেতে হয়। ৩) স্টেশনে নামলে ফ্লাইওভারের সিঁড়ি দিয়ে নামতে হয়। ফ্লাইওভার হওয়ার পর থেকে কোনও দিন ঝাঁট পড়েনি।

মলিনা সাহা বন্দ্যোপাধ্যায়

কলকাতা-৫৬

নোয়াপাড়া

মেট্রো রেলের নোয়াপাড়া স্টেশন দিনে দিনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এই স্টেশনে নেমে যাত্রীরা অনেকগুলো দিকে যেতে পারেন। যাত্রিসংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। কিন্তু একটা ব্যাপার হয়তো কর্তৃপক্ষের নজরে পড়েনি: স্টেশন থেকে বেরোনোর রাস্তাটা অত্যন্ত সঙ্কীর্ণ। তার ওপর অসংখ্য অটো রিকশা পথ জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকে। বেরোনোর রাস্তার দু’দিকে কিছু দোকান আছে এবং বেশ কিছু পরিবারের বাস। ফলে জায়গাটা অত্যন্ত সঙ্কীর্ণ হয়ে আছে।

সমীর বরণ সাহা

কলকাতা-৮১

জল জমছে

আমরা বরো ১৪, ১২৯ ওয়ার্ডের বিবেকানন্দ পল্লির বাসিন্দা। জুন মাসের বৃষ্টিতে অধিকাংশ বাড়িতেই জল ঢুকে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি হয়েছিল, তিন দিন পর জল নেমেছিল। আমাদের বরো-র কেএমসি-র এগজ়িকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে ফোন করলে উনি বলেছেন, নিচু জায়গা, জল তো জমবে, যখন সময় হবে নামবে। অথচ আমাদের চেয়ে নিচু জায়গায় জল ছিল না। আমাদের এলাকায় ইসলামিয়া মাঠে পাম্প হাউস আছে, সেটা দিয়ে এলাকার জল বার হত। দীর্ঘ দিন ধরে সেই পাম্প খারাপ, সারাবার উদ্যোগ নেই পুরসভার। আগে খোলা ড্রেন যখন ছিল, জল জমত, কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পর নেমে যেত। এখন পাইপ লাইন বসানোর পর, জল নামছে না।

মানস ঘোষ চৌধুরী, ডলি রায়

কলকাতা-৬০

ডাকঘর এজেন্ট

ডাকঘরের পরিষেবা উন্নত করতে গিয়ে এজেন্টদের খুব অসুবিধা হয়ে পড়েছে। সিবিএস ব্যবস্থা চালু হওয়ার আগে এজেন্টরা এলাকার সব ডাকঘরেই তাঁদের গ্রাহকদের আমানত জমা দিতে পারতেন। কিন্তু এখন বলা হয়েছে, যে এজেন্ট প্রথম থেকে যে ডাকঘরের সঙ্গে যুক্ত, শুধুমাত্র সেখানেই গ্রাহকদের টাকা জমা করতে পারবেন। অনেক গ্রাহক বাড়ির কাছের ডাকঘরে টাকা জমা দিয়ে, এজেন্টদের মারফত স্বল্প সঞ্চয়ের প্রকল্প কিনতেন, তাঁরাও অসুবিধেয় পড়েছেন। উন্নত পরিষেবার অ্যাকাউন্ট হোল্ডার যদি এক ডাকঘরের পাশবই দিয়ে অন্য ডাকঘরে টাকা আদানপ্রদান করতে পারেন, এজেন্ট কেন গ্রাহকের টাকা গ্রাহকের পছন্দের ডাকঘরে জমা করতে পারবেন না?

নিতাই চন্দ্র দাস

মেদিনীপুর

 

চিঠিপত্র পাঠানোর ঠিকানা

সম্পাদক সমীপেষু,

৬ প্রফুল্ল সরকার স্ট্রিট, কলকাতা-৭০০০০১।

ইমেল: letters@abp.in

যোগাযোগের নম্বর থাকলে ভাল হয়। চিঠির শেষে পুরো ডাক-ঠিকানা উল্লেখ করুন, ইমেল-এ পাঠানো হলেও।

ভ্রম সংশোধন

রবিবার (২৬/৮) প্রথম পাতায় ‘রাজীবদের ফের সিবিআই তলব’ সংক্রান্ত খবরে কলকাতার বর্তমান পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রধান ছিলেন বলে লেখা হয়েছে। কিন্তু সিট-এর প্রধান ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি। রাজীব কুমার ওই দলের সদস্য ছিলেন। অনিচ্ছাকৃত এই ভুলের জন্য আমরা দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।