— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
কলেজে কলেজে সংগঠন মজবুত করবে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। আগামী ৯ জুন থেকে রাজ্যের সব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সদস্যপদ গ্রহণ শুরু করতে চলেছে তারা।
রাজ্যে ক্ষমতার পালা বদলের পর থেকেই অন্য সংগঠনের তরফ থেকে অনেকেই এবিভিপির সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি করছিল বলে দাবি। যদিও সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক নীলকণ্ঠ ভট্টাচার্য জানান, সদস্যপদ গ্রহণের কাজ চলবে। কিন্তু এখনই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কোনও পরিচিত মুখকে এবিভিপি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করা হবে না।
নীলকণ্ঠ জানান, রাজ্যের সব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সদস্যপদ গ্রহণের কাজ শুরু হবে। তার পর ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করা হবে। এবিভিপির প্রতিষ্ঠা দিবসের উদ্যাপন চলবে ৯ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত। এ সময় সব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইন্ট্রোডাকশন টু এবিভিপি’ নামক অনুষ্ঠানও করা হবে।
নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পরে এবং সরকার গঠনের আগেই রাজ্যের ১০০ শতাংশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগঠনের কর্মকাণ্ড শুরু করতে চাইছে এবিভিপি। সংগঠনের দাবি, রাজ্যের প্রায় ৫০ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবিভিপি-র উপস্থিতি রয়েছে। হিসাব বলছে, উত্তরবঙ্গ, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া জেলার অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই সংগঠন রয়েছে। এ বার কলকাতা ও শহরতলিতেও সেই সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে।
এবিভিপি-র রাষ্ট্রীয় মিডিয়া সেলের সহ-আহ্বায়ক দেবাঞ্জন পাল বলেন, “সকলের অতীত বাছাই করেই সংগঠনে যুক্ত করানো হবে। কারণ নেতৃত্বের তরফে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ক্যাম্পাসের পরিবেশ যাঁরা এত দিন নষ্ট করে এসেছেন, ভাবমূর্তি খারাপ তাঁদের কোনও ভাবেই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করা যাবে না। তাই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কাউকে সংগঠনে যুক্ত করা হবে না।”