CBSE Revaluation 2026

দ্বাদশের পুনর্মূল্যায়ন ফল প্রকাশ করল সিবিএসই, ৮৭ শতাংশের বেশি পড়ুয়ার নম্বর যাচাই সম্পূর্ণ

সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই) দ্বাদশের পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করেছে। তবে, এখনও মোট আবেদনের প্রায় ১০ শতাংশের নম্বর যাচাইকরণের প্রক্রিয়া চলছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২২ জুন ২০২৬ ০৯:০০
Share:

ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।

দ্বাদশের পুনর্মূল্যায়ন ফল ঘোষণা করল সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই)। তবে, এখনও মোট আবেদনের প্রায় ১০ শতাংশের নম্বর যাচাইকরণের প্রক্রিয়া জারি রয়েছে। বোর্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, ৮৭ শতাংশের বেশি আবেদন খতিয়ে দেখা হয়েছে। ২১ জুন, রবিবার তারই ফল প্রকাশিত হয়েছে।

Advertisement

বোর্ডের এক্স হ্যান্ডলে এই বিষয়ে জানানো হয়েছে, পর্যায়ক্রমে পুনর্মূল্যয়ানের আবেদনের ফল প্রকাশিত হবে। প্রথম পর্যায়ে ৮৭ শতাংশের বেশি আবেদনের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। দ্রুত পরবর্তী পর্যায়ে বাকি আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে। উল্লেখ্য, ১.৬ লক্ষের বেশি পরীক্ষার্থীর ৩.৮ লক্ষেরও বেশি উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য আবেদন জমা পড়েছিল। পড়ুয়ারা সরাসরি সিবিএসই-র ওয়েবসাইট কিংবা ডিজিলকার থেকে পুনর্মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর দেখে নিতে পারবেন।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, পুনর্মূল্যায়নের পর পূর্বে প্রাপ্ত নম্বর না বদলে থাকলে, পরীক্ষার্থীরা সরাসরি বোর্ডের স্থানীয় দফতরে গিয়ে খাতা দেখে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। বোর্ডের তরফে প্রথম বার এই ভাবে নম্বর যাচাই করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর আগে অনলাইন মাধ্যমে খাতার পুনর্মূল্যায়ন করা যেত। কিন্তু সশরীরে উপস্থিত হয়ে খাতা দেখার সুযোগ পেতেন না পড়ুয়ারা। বোর্ডের তরফে মূল্যায়ন পদ্ধতির উন্নতির স্বার্থে নিয়ম শিথিল করা হয়েছে।

Advertisement

গত ১৩ মে সিবিএসই-র দ্বাদশের ফল প্রকাশিত হয়েছিল। পরীক্ষা দিয়েছিলেন ১৭ লক্ষ ৬৯ হাজারেরও বেশি পড়ুয়া। ফলাফল আশানুরূপ না হওয়ায় পরীক্ষার্থীরা খাতা দেখতে চান। সেই আর্জি মেনে ১৯ মে থেকে ২৫ মে পর্যন্ত খাতার স্ক্যান করা প্রতিলিপি দেখার সুযোগ দিয়েছিল বোর্ড। তাতেই ধরা পড়ে খাতার প্রতিলিপি কোথাও অস্পষ্ট, কোথাও বদলে গিয়েছে পরীক্ষার্থীর খাতাই।

নতুন করে পুনর্মূল্যায়নের আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়া চলে ২ জুন থেকে ৭ জুন পর্যন্ত। ওই আবেদন গ্রহণের সময়ও ঘটে বিপত্তি। আবেদনের পোর্টালটি সাইবার হানার জেরে বিকল হয়ে পড়ে সাময়িক ভাবে। আইআইটি কানপুর, আইআইটি মাদ্রাজের বিশেষজ্ঞরা সমস্যা খতিয়ে দেখার পর স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি।

খাতা স্ক্যান এবং মূল্যায়নের জন্য যে বেসরকারি সংস্থার উপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়েও একাধিক অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। সিবিএসই-র তরফে কাজের বরাত পাইয়ে দেওয়া এবং নিম্নমানের স্ক্যানিং করার অভিযোগে বিদ্ধ ওই সংস্থার তরফে যদিও যাবতীয় অভিযোগ খারিজ করা হয়েছে। সংস্থার পাল্টা দাবি, যান্ত্রিক ত্রুটি নয়, মানুষের ভুলে এই সমস্যা হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement