CBSE Revaluation 2026

দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা নিয়ে একের পর এক অভিযোগ! এ বার সিবিএসই-র দুই শীর্ষকর্তার বদলির নির্দেশ দিল কেন্দ্র

এক সদস্যের তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটি আগামী এক মাসের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করবে ‘ডিপার্টমেন্ট অফ পার্সোনাল অ্যান্ড ট্রেনিং’-এর কাছে। এ জন্য প্রশাসনিক ভাবে সব রকম সহায়তা করতে হবে সিবিএসই-কে। এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০২ জুন ২০২৬ ১৯:০৮
Share:

সিবিএসই। ছবি: সংগৃহীত।

সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন-এর (সিবিএসই) শীর্ষ দুই আধিকারিককে তড়িঘড়ি বদলি করল কেন্দ্রীয় সরকার। সূত্রের খবর, সিবিএসই চেয়ারম্যান রাহুল সিংহ এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তকে তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

একই সঙ্গে, ওএসএম পদ্ধতিতে খাতা দেখার প্রযুক্তি ও পরিকাঠামোগত ক্ষেত্রে কোন নিয়মে তৃতীয় পক্ষকে নিয়োগ করা হয়েছিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হবে। এ জন্য উচ্চ পর্যায়ের এক সদস্যের তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তদন্তের জন্য গঠিত এই কমিটির সদস্য হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে ‘ক্যাপাসিটি বিল্ডিং কমিশন’-এর চেয়ারপার্সন এস রাধা চৌহানকে। তবে তদন্তের প্রয়োজনে তিনি অন্য যে কোনও সরকারি আধিকারিকের সাহায্য নিতে পারবেন বলেই জানা গিয়েছে।

সূত্রের খবর, তদন্ত কমিটির চেয়ারপার্সন প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য দফতর বা সিবিএসই-এরই কোনও আধিকারিকদের সহায়তা নিতে পারবেন। পাশাপাশি, এই কমিটিকে সব ধরনের প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান করতে হবে সিবিএসই-কে। আগামী একমাসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট ‘ডিপার্টমেন্ট অফ পার্সোনাল অ্যান্ড ট্রেনিং’-এর কাছে জমা দিতে হবে, এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে।

Advertisement

উল্লেখ্য, দীর্ঘ যান্ত্রিক ত্রুটি মিটিয়ে মঙ্গলবারই চালু করা হয়েছে সিবিএসই দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য পূর্নমূল্যায়নের জন্য আবেদনের পোর্টাল। সিবিএসই-র দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবারই বেলা ৩টে পর্যন্ত প্রায় ১৬ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। তবে এর পাশাপাশি সাইবার হানার অভিযোগ এনেছে বোর্ড। তাদের অভিযোগ, এই পোর্টালকে লক্ষ্য করে ‘ডিনায়েল-অফ-সার্ভিস’ হামলা চালানো হয়েছে। এই আক্রমণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, মাত্র দু’মিনিটের মধ্যে পোর্টালটিতে প্রায় ১৫ লক্ষ ফেক হিট বা ট্রাফিক পাঠানো হয়েছে বলে দাবি বোর্ডের। সিস্টেমের ভেতরে থাকা ফাইলগুলিতে অননুমোদিতভাবে ঢোকার জন্য এক লক্ষেরও বেশি বার চেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ।

দ্বাদশ শ্রেণির ফলপ্রকাশের পর থেকেই খাতার মূল্যায়ন থেকে শুরু করে ডিজিটাল প্রতিলিপি আপলোড পর্যন্ত, সবেতেই গাফিলতির অভিযোগ করেছেন পরীক্ষার্থীরা। আর তাতেই নড়ে বসেছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক বোর্ডের কাছে জানতে চেয়েছে ডিজিটাল মূল্যায়নে কোনও অনিয়ম হয়েছিল কি না? অন্য দিকে মঙ্গলবার কেন্দ্রের শিক্ষা, নারী, শিশু, যুব এবং ক্রীড়া বিষয়ক পার্লামেন্টারি স্ট্যান্ডিং কমিটি-র বৈঠকে ডেকে পাঠানো হয়েছে দুই পড়ুয়াকে। তাঁরাই প্রথম দাবি করেছিলেন, সিবিএসই-র ডিজিটাল মূল্যায়নের পোর্টাল সুরক্ষিত নয় এবং ‘কোএম্পট এডুটেক’-এর দরপত্রের অনিয়ম ছিল। ‘কোএম্পট এডুটেক’ অনিয়ম সেখানে পড়ুয়াদের জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। তারপরই জানা যায়, বোর্ডের দু’জন শীর্ষ আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement