গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় পর্যাপ্ত উত্তরপত্র মজুত রাখতে হবে স্কুলগুলিকে। কিছু নির্দিষ্ট পরীক্ষায় পরীক্ষক (এক্সটার্নাল এগজ়ামিনার) থাকবেন, তাঁদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব পরীক্ষার্থীর নম্বর সঠিক ভাবে জমা দিতে হবে। ১ জানুয়ারি থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা চলবে। ওই পরীক্ষার জন্য একাধিক বিধি স্মরণ করিয়ে দিল সিবিএসই।
বিশেষ ভাবে সক্ষম পরীক্ষার্থীরা যাতে ভাল ভাবে পরীক্ষা দিতে পারে তা সুনিশ্চিত করবে স্কুলগুলি। পরীক্ষার সময় গবেষণাগারে সমস্ত সামগ্রী পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকা প্রয়োজন। প্রতিদিন পরীক্ষা শেষের পরই সব পরীক্ষার্থীর নম্বর অনলাইনে আপলোড করার নির্দেশ দিয়েছে বোর্ড। নিয়ম অনুযায়ী, স্কুলগুলিকে একটি নির্দিষ্ট ফরম্যাটে সমস্ত নম্বর লিখে অনলাইনে পাঠাতে হবে।
তাতে পরীক্ষার্থীদের শ্রেণি, বিষয়ের নাম এবং কোড, থিয়োরি, প্র্যাকটিক্যাল, প্রজেক্ট এবং ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্ট-এ প্রাপ্ত নম্বর, পরীক্ষক ছিলেন কি না, আলাদা করে উত্তরপত্র দেওয়া হয়েছে কিনা— এ সব তথ্যও পোর্টাল মারফত পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে সিবিএসই। তবে, পরীক্ষকেরা যাতে পরীক্ষার্থীদের মেধার ভিত্তিতে নম্বর দেন, সেই বিষয়টিতেও লক্ষ্য রাখবেন অধ্যক্ষ।
ওই তথ্য নির্ভুল ভাবে যাতে আপলোড করা হয়, তা স্কুলের অধ্যক্ষ, পরীক্ষককে (অভ্যন্তরীণ ও বহিঃস্থ) নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য তাঁদের প্র্যাকটিক্যালের উত্তরপত্রে আলাদা করে স্বাক্ষর করতে হবে। যদি কোনও পরীক্ষার্থী জরুরি কারণে অনুপস্থিত থাকে, তা হলে সে আবার কবে পরীক্ষা দিতে পারবে, তা-ও উল্লেখ করে দিতে হবে স্কুলকে।
সিবিএসই ২০২৬-এর প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষার জন্য আলাদা করে পরীক্ষক (এক্সটার্নাল এগজ়ামিনার) প্রতিটি স্কুলে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে। কোনও স্কুল যদি বোর্ড দ্বারা নিযুক্ত পরীক্ষকের বদলে অন্য কোনও ব্যক্তিকে দিয়ে কাজ করানো হয়, সে ক্ষেত্রে ওই পরীক্ষার কোনও মূল্যায়ন করা হবে না।