— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
শিক্ষকদের মহার্ঘ ভাতা পাওয়া নিয়ে কি ক্রমশ ধোঁয়াশা তৈরি হচ্ছে? এ বার রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে ই-মেল করে দ্রুত ওই ভাতা প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু করার আবেদন জানালেন শিক্ষকেরা।
মাস খানেক আগে থেকেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে চাপানউতর চলছে শিক্ষকদের। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরও বকেয়া ২৫ শতাংশ এবং বাজেটে ঘোষিত ৪ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা দেয়নি পূর্বতন তৃণমূল সরকার। এ নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছিল। তার প্রভাব প্রকট হয়েছে ইভিএম-এ। পাল্টে গিয়েছে রাজ্যের ক্ষমতার সমীকরণ। কিন্তু বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরও অনিশ্চয়তা কাটেনি শিক্ষকদের।
পালা বদলের পর নতুন সরকার প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের শেষে মহার্ঘ ভাতা সংক্রান্ত ঘোষণা করবে বলে আশা করেছিলেন শিক্ষকেরা। কিন্তু সেখানে কোনও বার্তা ছিল না। কার্যত হতাশ শিক্ষকেরা প্রত্যাশা করেছিলেন সোমবার ফের নবান্নে এ সংক্রান্ত আলোচনায় সমাধান হবে। কিন্তু সেখানেও ধোঁয়াশা কাটেনি বলে অভিযোগ। তাই মঙ্গলবার মুখ্যসচিবের কাছে মহার্ঘ ভাতা প্রদানের আবেদন জানিয়েছে বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতি।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “তৃণমূল সরকার সুপ্রিম কোর্টে যে ৬২ পাতার স্টেটাস রিপোর্ট দিয়েছে তা নিয়েও অনেক বিতর্ক রয়েছে। মুখ্যসচিবকে অনুরোধ করেছি দ্রুত এই কাজ শেষ হোক।”
মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সম্পাদক অনিমেষ হালদার বলেন, “বর্তমান শাসক যখন বিরোধী ছিল তখন মহার্ঘ ভাতা এবং পে-কমিশন নিয়ে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্ত এখন তা নিয়ে আর কোনও কথা নেই। খুব স্বাভাবিক ভাবে কর্মচারী সমাজ হতাশ। তবে আমরা এখনও মনে করছি নতুন সরকার নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে।”