West Bengal Health Scheme

শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় আনার দাবি, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর

শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় আনার আর্জি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মন। এই চিঠির প্রতিলিপি দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও পাঠানো হয়। সেই চিঠির ছবি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:২৪
Share:

প্রতীকী চিত্র।

স্বাস্থ্য প্রকল্পে নাম নেই স্কুল শিক্ষকদের। বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী চিঠি পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রীকে। চিঠি দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। পাশপাশি প্রাথমিক শিক্ষকদের ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ স্কিমের বা স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে অধীনে আনার আর্জি জানিয়ে শিক্ষা দফতররকে চিঠি দিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।

Advertisement

স্কুল, মাদ্রাসায় কর্মরত এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের এই প্রকল্পে আওতায় আনার দাবি দীর্ঘদিনের। শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারী বলেন, “আমরা এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই আদালতের দ্বারস্ত হয়েছি। সেই মামলায় আদালত আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দিয়েছিল। চার মাসের সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সরকারের হেলদোল নেই।”

শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় আনার আর্জি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মন। এই চিঠির প্রতিলিপি দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও পাঠানো হয়। সেই চিঠির ছবি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

Advertisement

সরকারি কর্মচারীদের পাশাপাশি সরকারি স্কুল ও কলেজ শিক্ষক এবং কর্মীরা এই স্বাস্থ্যপ্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত। অথচ সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের পাশাপাশি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাকর্মীদের রাজ্য সরকার বেতন দিলেও এই স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় আনেনি। শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, প্রায় চার লক্ষ শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “রাজ্য সরকারি কর্মচারী, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক,শিক্ষাকর্মীরা হেলথ স্কিমের আওতায় রয়েছেন। অথচ স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের সে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না। এটা শিক্ষক সমাজকে অবহেলারই সামিল।”

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement