ছবি: সংগৃহীত।
২১ জুনের নিট ইউজি সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনা করতে নিরাপত্তা ও নজরদারি ব্যবস্থা জোরদার করছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি। পরীক্ষাটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে উচ্চ পর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক সেরেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
ইসরো-এর প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবং এনটিএ-এর স্টিয়ারিং কমিটির প্রধান কে রাধাকৃষ্ণন এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও আলোচনায় উচ্চ শিক্ষা সচিব, এনটিএ-এর ডিরেক্টর জেনারেল এবং অন্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা যোগ দিয়েছিলেন। পরীক্ষাকেন্দ্রে যে কোনও ধরনের জালিয়াতি বা কারচুপি রুখতে কী ধরনের পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা আধিকারিকদের থেকে বিশদে জানেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারি ব্যবস্থার কেমন তা খতিয়ে দেখা হয়। এর পর পরীক্ষা চলাকালীন প্রতিটি কেন্দ্রের ওপর লাইভ ও নিখুঁত নজরদারি আরও কী ভাবে বাড়ানো যায়, সেই সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এই বৈঠকে।
শুধু কড়া নিরাপত্তাই নয়, পাশাপাশি পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে পরীক্ষার্থীদের সুবিধার বিষয়েও নজর রাখতে হবে বলে দাবি করা হয় ওই আলোচনায়। সম্প্রতি এই মর্মে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান দেশের সকল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, উপরাজ্যপাল এবং প্রশাসকদের চিঠি লিখেছিলেন। ২১ জুন নিট ইউজি সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং সফল ভাবে আয়োজনের জন্য সহযোগিতা চেয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের কাছে। সাম্প্রতিক তাপপ্রবাহ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বিশেষ ব্যবস্থার কথাও ভাবা হয়েছে। পানীয় জলের ব্যবস্থা, পরীক্ষার্থীদের বসার জন্য পর্যাপ্ত ও সঠিক ব্যবস্থা, পাখা বা কুলার রাখা, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন শৌচালয়ের ব্যবস্থা, অভিভাবকদের জন্য ছাউনিযুক্ত বসার জায়গা, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা, প্রয়োজনে অস্থায়ী শৌচালয় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী।
নিট ইউজি নেওয়া হবে দেশের প্রায় ৫৫২টি শহরের ৫,৪০০টিরও বেশি পরীক্ষাকেন্দ্রে। দেশের মধ্যে সব থেকে বড় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা প্রশ্নফাঁসের জেরে দ্বিতীয় বার আয়োজিত হতে চলেছে। পুনঃপরীক্ষায় নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করতে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলির সঙ্গেও একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ভুয়ো তথ্য বা গুজব রটানোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের কথা বলেছিলেন তিনি।