ছবি: সংগৃহীত।
৯ মে, রবীন্দ্রজয়ন্তীতে শপথ নিয়েছিল বিজেপি সরকার। ব্রিগেডের মাঠ থেকেই জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে গিয়েছিলেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সে দিন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা গিয়েছিল উপাচার্য সোনালী চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সূত্রের খবর, একমাস পেরোতে না পেরোতেই ইস্তফা দিয়েছেন তিনি।
দীর্ঘ টালবাহানার পর গত অগস্টে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে রবীন্দ্র ভারতীর উপাচার্য পদে বসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ট অবসরপ্রাপ্ত আমলা আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী সোনালী। সূত্রের খবর, ৫ জুন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল আরএন রবির কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন তিনি।
গত বছর রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে অধ্যাপক সোনালি চক্রবর্তী বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম সুপারিশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু অনুমোদন দেননি তৎকালীন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তাঁর যুক্তি ছিল, সোনালি অন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। তাই তাঁকে রবীন্দ্র ভারতীর উপাচার্য পদে নিয়োগ করা যাবে না। সে সময় সোনালী কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে ছিলেন।
রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘর্ষের এক দীর্ঘ নজির রয়ে গিয়েছে ৩৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ প্রক্রিয়ায়। অবশেষে গত ১ অগস্ট রবীন্দ্র ভারতীর উপাচার্যের দায়িত্ব নেন সোনালী। তার আগে তিনি ২০২৩-এ রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যানের হিসাবে যোগ দেন।