WBCHSE

মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পথেই কি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ! কোন নির্দেশ শুক্রবারের ধর্মঘট নিয়ে?

শিক্ষক সংগঠনগুলির কাছে বকেয়া ডিএ-র হিসাব সংক্রান্ত একটি নথি পৌঁছেছে। দাবি, সেখানে দেখানো হয়েছে গ্রুপ-এ, বি, সি এবং ডি পর্যায়ের কত জন কর্মচারী এখন কর্মরত এবং কত জন পেনশনভোগী রয়েছেন। পৃথক ভাবে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের দেখানো হয়নি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৬ ১৮:০০
Share:

ছবি: সংগৃহীত।

মধ্যশিক্ষা পর্ষদের পরে এ বার উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। শুক্রবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে যে সব শিক্ষকেরা উচ্চ মাধ্যমিকের খাতা দেখার সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা কোনও ভাবেই শুক্রবার ‘অন ডিউটি’ নিতে পারবেন না।

Advertisement

তবে, স্কুলের প্রধানদের অনুরোধ করা হয়েছে তাঁরা যেন শিক্ষকদের ১৩ মার্চের পরিবর্তে অন্য কোনও দিনে ‘অন ডিউটি’ দেন। এই বিজ্ঞপ্তিকে ধর্মঘট বানচাল করার নির্দেশ হিসাবেই দেখছেন আন্দোলনকারী শিক্ষকেরা। তাঁদের দাবি, কোনও মূল্যেই ধর্মঘট করার সিদ্ধান্ত থেকে তাঁদের বিচ্যুত করা যাবে না।

বুধবার এই একই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদও। বৃহস্পতিবার শিক্ষক নেতা স্বপন মণ্ডল বলেন, “বকেয়া মহার্ঘ ভাতা আদায়ের দাবি, গোটা শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি, শিক্ষক নিয়োগ-সহ একাধিক দাবিতে সব শিক্ষকেরা এই ধর্মঘটে সামিল হচ্ছেন। বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই সব বঞ্চনার প্রতিবাদ থেকে আমাদের ফেরানো যাবে না।”

Advertisement

নিখিলবঙ্গ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুজিত দাস বলেন, “সরকার চাইলে আমাদের বেতন কেটে নিতে পারে। কিন্তু আমাদের অধিকারে সরকার হস্তক্ষেপ করতে পারে না।” তাঁর অভিযোগ, কোনও কোনও জেলায় ওই দিন স্কুলে না গেলে কারণ দর্শানোর নোটিস জারি হতে পারে বলে ভয় দেখাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ।

নানা দাবি আদায়ের সঙ্গে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগও তুলেছেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষকেরা। শিক্ষক সংগঠনগুলির কাছে বকেয়া ডিএ-র হিসাব সংক্রান্ত একটি নথি পৌঁছেছে। দাবি, সেখানে দেখানো হয়েছে গ্রুপ-এ, বি, সি এবং ডি পর্যায়ের কত জন কর্মচারী এখন কর্মরত এবং কত জন পেনশনভোগী রয়েছেন। পৃথক ভাবে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের দেখানো হয়নি। এখানেই ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সংগঠন।

মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার সম্পাদক অনিমেষ হালদার বলেন, “ধর্মঘট বানচাল করার জন্য সরকার পর্ষদ এবং সংসদকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক। আমরা এই ধর্মঘটকে পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি।”

স্কুল শিক্ষকদের পাশে পাশাপাশি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন কুটা। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাগরময় ঘোষ বলেন, “আমরাও এই ধর্মঘটকে সমর্থন জানাচ্ছি। শিক্ষকের অধিকার এবং শিক্ষার অধিকার লড়াইতে সকলকে পথে নামতেই হবে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement