গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম
স্কুল শিক্ষার সঙ্গে উচ্চশিক্ষার ব্যবধান কমাতে এ বার নতুন পরিকল্পনা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের। স্কুলের পড়ুয়াদের মধ্যে উদ্ভাবনী ক্ষমতা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভাবনার প্রসার ঘটাতে কখনও স্কুলে স্কুলে যাবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা আবার কখনও বিশ্ববিদ্যালয়েই এসে কর্মশালায় যোগ দেবে স্কুল পড়ুয়ারা। এই নতুন পরিকল্পনার নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্কুল কানেক্ট প্রোগ্রাম’।
এ প্রসঙ্গে শিক্ষামহলের প্রশ্ন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কি তৈরি হয়েছে ছাত্রসঙ্কট? তাই আগে থেকে স্কুলপড়ুয়াদের নিয়ে আসার বিষয়ে উদ্যোগী কর্তৃপক্ষ? এ প্রশ্নের উত্তরে উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য বলেন, “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিজেই একটি ব্র্যান্ড। সেখানে ভর্তির জন্য স্কুলে পৌঁছতে হবে না। ছাত্র-ছাত্রীরা নিজে থেকেই পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে বেছে নেয়।”
উপাচার্য জানান, ২০১৯ সালে মৌলানা আবুল কালাম আজ়াদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই স্কুল কানেক্ট প্রোগ্রাম শুরু হয়। তিনি বলেন, “পরবর্তী সময়ে আমি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি হিসেবে ওই অনুষ্ঠানগুলিতে যোগ দিয়ে দেখেছি শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রীর মধ্যে তা ভাল প্রভাব ফেলেছে। তাই আমি এখানে যোগ দেওয়ার পরে সেটা শুরু করছি।”
তিনি জানিয়েছেন, যাদবপুরে ইনস্টিউশন ইনোভেশন কাউন্সিল রয়েছে। অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল টেকনিক্যাল এডুকেশন এর নিয়ম অনুযায়ী এই কাউন্সিল থাকতেই হয়। এই কাউন্সিলের অধীনেই স্কুল কানেক্ট চালু হয়েছে। ইতি মধ্যে দু’একটি কর্মশালা হয়েছে।
কী ভাবে চলে এই স্কুল কানেক্ট?
উপাচার্য জানান, তিনি নিজে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি হওয়ার কারণে সমস্ত স্কুলের তথ্য তাঁর কাছে রয়েছে। কিছু বাছাই করা স্কুলের প্রধানের সঙ্গে কথা বলে উচ্চ মাধ্যমিক বা মাধ্যমিক স্তরের যে সমস্ত পড়ুয়ার মধ্যে উদ্ভাবনী, বিজ্ঞান বা শিল্পদ্যোগী সম্ভাবনা রয়েছে সেই সমস্ত ছাত্র ছাত্রীদের এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হবে। তাদের নানা প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের স্কিল ডেভলপমেন্টের উপরে বিশ্বে ভাবে নজর দেওয়া হবে।