NEET UG Re-Exam 2026

নাগপুরের পড়ুয়াকে নিট দিতে যেতে হবে আবু ধাবি! পুনঃপরীক্ষার আগে ফের বিতর্কে এনটিএ

নাগপুরের ১৮ বছর বয়সি পরীক্ষার্থীর অ্যাডমিট কার্ডে পরীক্ষাকেন্দ্র হিসাবে আবু ধাবি ইন্ডিয়ান স্কুলের নাম লেখা হয়েছে। ঘটনার অভিযোগ জানানো হয়েছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সিকে (এনটিএ)।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২০ জুন ২০২৬ ১০:৫৮
Share:

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

বাড়ি মহারাষ্ট্রের নাগপুরে। কিন্তু পরীক্ষা দেওয়ার জন্য নাকি যেতে হবে আবু ধাবি! বিদেশের কোনও কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রবেশিকা নয়। নিট ইউজি-র পুনঃপরীক্ষায় বসবেন ওই পরীক্ষার্থী। অ্যাডমিট কার্ডে এমন ভ্রমের কথা জানাজানি হতেই নতুন করে বিতর্কের মুখে পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা এনটিএ। এ দিকে পরীক্ষার বাকি নেই আর ২৪ ঘণ্টাও।

Advertisement

সম্প্রতি নিট পুনঃপরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড হাতে পেয়েছেন নাগপুরের ১৮ বছর বয়সি পরীক্ষার্থী আবদুল্লা মহম্মদ তালিব। তার পরই ঘুম উড়েছে তাঁর। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি-কে (এনটিএ) এই বিষয়ে অভিযোগ জানানো হলেও শনিবার পর্যন্ত নতুন অ্যাডমিট কার্ড হাতে পাননি বলে অভিযোগ।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, আবেদনের সময়ে পছন্দের পরীক্ষাকেন্দ্র হিসাবে আবদুল্লা নাগপুর ছাড়াও ওয়ার্ধা এবং ভান্দারা শহরের নাম জমা দিয়েছিলেন। তার পরও কী ভাবে তাঁকে আবু ধাবির পরীক্ষাকেন্দ্র দেওয়া হল, বুঝতে পারছেন না অভিভাবকেরাও। ওই পরীক্ষার্থীর বাবা মহম্মদ তালিব জানিয়েছেন, ছেলের পাসপোর্ট নেই। এত দূরের কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার মতো যথেষ্ট সময়ও হাতে নেই। তাঁর ছেলের আদৌ পরীক্ষা দেওয়া হবে কি না, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। তাঁরা এনটিএ-র হেল্পলাইন নম্বরে অ্যাডমিট কার্ডের গরমিল নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন। পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থার তরফে অবশ্য আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, দ্রুত ত্রুটি সংশোধন করে নতুন অ্যাডমিট কার্ড পাঠানো হবে।

Advertisement

এ দিকে ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী আনিস আহমেদ। সংবাদসংস্থাকে তিনি জানিয়েছেন, এই ঘটনা এনটিএ-এর পরীক্ষা পরিচালন ব্যবস্থার সমস্যা নিয়ে নতুন করে ভাবাচ্ছে। দ্রুত ওই পড়ুয়াকে নাগপুর কিংবা পাশ্ববর্তী শহরের কোনও পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া হোক। সূত্রের খবর, শনিবার বিকেল ৪টের মধ্যে নতুন অ্যাডমিট কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে এনটিএ-র তরফে।

পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থাপনার জন্য ত্রিস্তরীয় সুরক্ষার ঘেরাটোপের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরীক্ষা পরিচালনায় নিযুক্ত করা হয়েছে প্রায় ২ লক্ষ কর্মী-আধিকারিককে। জানানো হয়েছে, বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রে মোট ৬,৬৬৯ অবজ়ার্ভার থাকবেন। এ ছাড়াও ৬৭৪ জন সিটি কো-অর্ডিনেটরের উপর শহরাঞ্চলের পরীক্ষাকেন্দ্রে নজরদারির দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। সিসি ক্যামেরার সাহায্যে পরীক্ষার হলে সরাসরি নজর রাখবেন আধিকারিকরা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement