— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
শিক্ষকদের পাঠদানের পদ্ধতিতে কি খেলনা থাকতে পারে? ক্লাসরুমের বাইরে পড়াশোনা কি সত্যিই ছেলেমেয়েদের মনোযোগ বৃদ্ধি করে? শিক্ষার এমন হাজারও বিষয় নিয়ে গবেষণার সুযোগ রয়েছে। ওই কাজের জন্য ফেলোশিপও পেতে পারেন। কারা দেবে ওই টাকা? কী ভাবে পাওয়া যাবে ফেলোশিপ?
ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (এনসিইআরটি) তরুণ স্কলারদের শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে গবেষণায় উৎসাহ দিতে বিশেষ ‘ডক্টরাল স্কলারশিপ’-এর ব্যবস্থা করেছে। উল্লিখিত বিষয় ছাড়াও ছোট বয়সে শিক্ষাদান, স্কুলের পাঠ্যক্রমে রদবদল, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, বৃত্তিমূলক শিক্ষার মতো একাধিক বিষয় নিয়ে গবেষণার জন্য ফেলোশিপ দেবে ওই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা।
কারা পাবেন সুযোগ?
পিএইচডি কোর্সের জন্য রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ হয়েছে কিংবা হতে চলেছে, এমন প্রার্থীদের আবেদন গ্রহণ করা হবে। তাঁদের স্নাতক কিংবা স্নাতকোত্তর স্তরে ন্যূনতম প্রাপ্ত নম্বর ৬০ শতাংশ হওয়া প্রয়োজন। বয়স ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে। এ ছাড়াও প্রার্থীদের ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট (নেট) উত্তীর্ণ হওয়া প্রয়োজন।
কী ভাবে যোগ্যতা যাচাই?
প্রার্থীদের ইন্টারভিউ নেওয়া হবে। তাঁদের গবেষণার প্রস্তাবপত্র খতিয়ে দেখবেন বিশেষজ্ঞেরা। এর পর সংস্থার এক্সপার্ট কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফেলোশিপের জন্য ১০ জনকে বেছে নেওয়া হবে।
ফেলোশিপের অঙ্ক:
এনসিইআরটি-র তরফে প্রতি মাসে ৩৫,০০০ থেকে ৩৭,০০০ টাকা ফেলোশিপ হিসাবে দেওয়া হবে। এ ছাড়াও কন্টিনজেন্সি গ্রান্ট হিসাবে ১০,০০০ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
আগ্রহীদের সংস্থার ওয়েবসাইট মারফত আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। আবেদনের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি।