NEET Re-Exam Security

চার দিনে দুই শতাধিক অভিযান! নিট প্রশ্নপত্র সুরক্ষিত রাখতে দেশ জুড়ে টহল বায়ুসেনা বিমানের

প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তার দায়িত্ব ভারতীয় বায়ুসেনার উপর দেওয়া হয়েছে। ১৩ জুন থেকে সেনাবাহিনীর বিশেষ দল দেশের ১৮টি সুরক্ষিত কেন্দ্রে পরীক্ষা সংক্রান্ত সব গোপন নথি পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করেছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬ ১৪:১৯
Share:

ছবি: এআই সহায়তায় তৈরি।

প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ায় মুখ পুড়েছে পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থার। তাই প্রশ্নপত্র পরীক্ষাকেন্দ্রে সুরক্ষিত ভাবে পৌঁছে দিতে তৎপর কেন্দ্র। এই কাজে ভারতীয় বায়ুসেনার বিশেষ বাহিনী ১৩ জুন থেকে প্রশ্নপত্র বিভিন্ন কেন্দ্রে সুরক্ষিত ভাবে পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করেছে।

Advertisement

৩ মে-এর প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় কার্যত বিড়ম্বনায় কেন্দ্র। তাই প্রশ্নপত্রকে সবোর্চ্চ সুরক্ষার ঘেরাটোপে রেখেই পটনা থেকে মাদুরাই পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত চার দিনে ২০০টিরও বেশি অভিযান সেরেছে বায়ুসেনার বিশেষ বিমান।

সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, প্রশ্নপত্র পৌঁছে দিতে সি ১৭ গ্লোবমাস্টারের মতো বিমানের সঙ্গে এম ১৭-এর মতো ট্যাকটিক্যাল হেলিকপ্টারও ব্যবহার করছে বায়ুসেনার বিশেষ বাহিনী। প্রশ্নপত্র-সহ পরীক্ষা সংক্রান্ত সমস্ত নথির সিল যাচাই করে নেওয়া কিংবা যে কেন্দ্রে পৌঁছানো হবে সেই এলাকা বিপদ মুক্ত রাখার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন সেন্ট্রাল রিসার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ) এবং সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সের (সিআইএসএফ) যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী।

Advertisement

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অভিযানের মতই বিশেষ নজরদারি এবং সুরক্ষা ব্যবস্থার ঘেরাটোপে প্রশ্নপত্র পাঠানোর কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে। এ ছাড়াও যাঁরা পুনঃপরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি করেছেন, তাঁদের পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে। ওই সময়টা তাঁদের মোবাইল, ল্যাপটপ কিংবা ইন্টারনেট ছাড়াই থাকতে হবে।

প্রশ্নফাঁস রুখতে দেশজুড়ে টেলিগ্রাম অ্যাপ পরিষেবাও সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। ৩০ জুনের পর ওই অ্যাপ ফের ব্যবহার করতে পারবেন। এই সিদ্ধান্ত এনটিএ স্বাগত জানালেও, কেন্দ্রের নির্দেশের সমালোচনা করেছে টেলিগ্রাম অ্যাপের প্রতিষ্ঠাতা পাভেল ডুরোভ। তিনি টেলিগ্রাম অ্যাপ মারফত জানান,এই নির্দেশ এ দেশের ১৫ কোটি ব্যবহারকারীদের শাস্তি দেওয়ার মতো। প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত সমস্যার সূত্র অ্যাপ না হলেও তার সমাধান টেলিগ্রামের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। তাই এই নিষেধাজ্ঞা জারি করার নির্দেশ একপ্রকার ভুলই।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement