নির্বাচন নির্বিঘ্নেই! নিজস্ব চিত্র।
নির্বিঘ্নেই মিটল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটির (আইসিসি)-র নির্বাচন। বুধবার কলা এবং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের পড়ুয়াদের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা এই নির্বাচনে যোগ দেন। আগামী ২১ এপ্রিল বিজ্ঞান বিভাগের পড়ুয়াদের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা নির্বাচনে যোগ দেবেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, বুধবার বেলা ১২টা থেকে দিবা বিভাগের স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর স্তরের এবং সন্ধে ৬টা থেকে সান্ধ্য বিভাগের স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর স্তরের পড়ুয়াদের নির্বাচন আয়োজিত হয়। শান্তিপূর্ণ ভাবে এই নির্বাচন করানোটা কার্যত চ্যালেঞ্জ ছিল বলে মনে করছেন কর্তৃপক্ষ।
কারণ গত ফেব্রুয়ারিতে এই আইসিসি নির্বাচন ঘিরেই উত্তাল হয়েছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শেষ হতেই সায়েন্স-আর্টস মোড়ের কাছে ছাত্রদের মধ্যে শুরু হয় বিবাদ। মধ্যস্থতা করতে গিয়ে জখম হয়েছিলেন দুই অধ্যাপক রাজ্যেশ্বর সিংহ এবং ললিত মাধব। তা নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে। তদন্ত কমিটি বসিয়ে অভিযুক্ত পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নিতে হয়। সেই আবহে এই নির্বাচন বাড়তি চ্যালেঞ্জ ছিল বলেই মত যাদবপুরের অন্দরের।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, মোট প্রার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২২। মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল প্রায় ৯ হাজার। তবে কত জন ভোট দিয়েছেন সেটা জানা যায়নি। এ দিন রাত ৮ টা পর্যন্ত এই নির্বাচন চলে।
এই আইসিসি কমিটিতে বিজ্ঞান, কলা এবং ই়ঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের প্রত্যেকটি থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ১ জন করে মোট ৬ জন প্রতিনিধি থাকেন। আর একজন থাকেন পিএইচডি স্কলার।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন জুটার সাধারণ সম্পাদক পার্থপ্রতিম রায় বলেন, ‘‘নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে। আশা করি সরকার এই নির্বাচনকে দেখে বুঝতে পারবে যে ছাত্র সংসদ নির্বাচনও নির্বিঘ্নে করা সম্ভব। ’’