Teachers Movement

১৫ হাজার টাকা বেতন, তা-ও মেলেনি গত চার মাস! প্রতিবাদে পথে নামছেন এনএসকিউএফ শিক্ষকেরা

হিসাব বলছে গোটা রাজ্যে প্রায় ১৬০০-র বেশি স্কুলে পূর্ণসময়ের চুক্তিভিত্তিক প্রায় তিন হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন এই বৃত্তিমূলক শিক্ষায়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ মার্চ ২০২৬ ১৪:৫৯
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

বঞ্চনার প্রতিবাদে এ বারে পথে নামছেন শিক্ষকেরা। অভিযোগ, গত ১৩ বছরে তাঁদের বেতন বাড়েনি একটাকাও। মাত্র ১৫ হাজার টাকায় জীবনধারণ করাই মুশকিল, দাবি চুক্তিভিত্তিক বৃত্তিমূলক ইউনাইটেড পশ্চিমবঙ্গ এনএসকিউএফ (ন্যাশনাল স্কিল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক) টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের।

Advertisement

সংগঠনের সভাপতি নিরুপম কোলে জানান, মঙ্গলবার ৩১ মার্চ বেলা সাড়ে ১০টা নাগাদ শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরে ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের কাছে জমায়েত শুরু করবেন তাঁরা। এরপরে ধর্মতলার রানি রাসমণি অ্যাভিনিউ পর্যন্ত মিছিল করে সেখানেই বিক্ষোভ দেখাবেন।

তাঁরা মূলত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের কম্পালসারি স্কিল বিষয়ের শিক্ষকতা করেন। ২০১৩ সালের পর দীর্ঘ ১৩ বছরে একবারও তাঁদের বেতন বৃদ্ধি হয়নি। ২০১৩ সালে মাত্র ১৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরি জীবন শুরু করেছিলেন। সেখান থেকে এক ধাপও উঠতে পারেননি তাঁরা। তার উপর বেতন বন্ধ গত ডিসেম্বর থেকে। হিসাব বলছে গোটা রাজ্যে প্রায় ১৬০০-র বেশি স্কুলে পূর্ণসময়ের চুক্তিভিত্তিক প্রায় তিন হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন এই বৃত্তিমূলক শিক্ষায়। তাঁরা ক্লাস করাচ্ছেন, তাঁদের থেকে শিক্ষা নিয়ে পরবর্তী সময়ে ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের জীবনে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছেন। কিন্তু তাঁরা পড়ে রয়েছেন সেই তিমিরেই।

Advertisement

নিরুপম জানান, তাঁরা স্কুলে শিক্ষকতার চাকরি করেন। স্কুলশিক্ষা দফতরের অধীনেই কাজ করার কথা। কিন্তু সরকার তাঁদের কারিগরি শিক্ষা দফতরের অধীনে নিয়ে গিয়েছে। এ রাজ্য ছাড়া গোটা দেশে আর কোথাও এই নিয়ম প্রচলিত নেই বলে জানান তিনি। তাঁর দাবি, ‘‘স্কুলশিক্ষা দফতরের অধীনেই আমরা কাজ করছি, তাই এই দফতরের অধীনেই আমাদের রাখতে হবে। আমাদের দায়িত্ব স্কুলশিক্ষা দফতরকেই নিতে হবে।’’

পাশাপাশি তিনি জানান, এজেন্সির মাধ্যমে তাঁদের বেতন হওয়ার কারণে একের পর এক সমস্যায় জর্জরিত হয়ে গিয়েছেন। এই অবস্থা থেকে উদ্ধারের জন্যই রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে সামিল হচ্ছেন তাঁরা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement