প্রতীকী চিত্র।
উচ্চ মাধ্যমিকে কোন বিষয় নিয়ে পড়লে পেশা-দুনিয়ায় সুবিধা হবে, তা জানাতে বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করতে চলেছে সরকার। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী এপ্রিলেই এই ‘কেরিয়ার গাইডেন্স প্রোগ্রাম’ করা হবে। বিজ্ঞান, কলা ও বাণিজ্য বিভাগে কোন বিষয় কী ভাবে পড়লে ভবিষ্যতে ভাল করা সম্ভব এবং কর্মক্ষেত্রে সুবিধা হবে, তা জানানো হবে।
এই কর্মসূচির আওতায় ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ-এর (আইসার) মতো প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞেরা অনলাইনে কাউন্সেলিং করাবেন। এ প্রসঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি পার্থ কর্মকার বলেন, “উচ্চ মাধ্যমিক হচ্ছে স্কুল ও কলেজের সংযোগস্থল। এখানে ভর্তি হওয়ার সময় ছাত্র-ছাত্রীরা কি বিষয় পড়াশোনা করবে, সে সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।” তাই সরকারি স্তরে কোন কোন বিষয় পড়ানো হয়, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে কোন পথ খোলা তা পড়ুয়াদের আগেই জানিয়ে দিতে চাইছেন কর্তৃপক্ষ। তাই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য কাউন্সেলিং শুরু করার কথা ভাবা হচ্ছে।
ইতিমধ্যে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে বিভিন্ন স্কুলে বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে বিশেষ কাউন্সেলিং করানো হয় পড়ুয়াদের। এ ছাড়াও রাজ্য জয়েন্ট, নিট ও সর্বভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষার প্রস্তুতি সংক্রান্ত ক্লাসও করানো হয় জেলা স্তরে।
বর্তমানে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফ থেকে ৬৬ বিষয় পড়ানো হয়। এর মধ্যে ১৬টি বৃত্তিমূলক বিষয়। সম্প্রতি দু’বছরের মধ্যে বেশ কিছু যুগোপযোগী বিষয়ও চালু করা হয়েছে বলে দাবি শিক্ষা সংসদের। এ বছর বিভিন্ন শিক্ষক সংগঠন ও অভিভাবকদের তরফে সেমেস্টার পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। পার্থ অবশ্য বলেন, “যে পদ্ধতি চালু হয়েছে তা এখনই বন্ধ করার কোনও প্রশ্ন নেই। কোথায় কী সমস্যা রয়েছে, তা দ্রুত খতিয়ে দেখে সমাধান করাই মূল লক্ষ্য।” বই ও মডেল প্রশ্নপত্র নিয়ে যে সমস্যা এ বছর তৈরি হয়েছিল, তা যাতে আর না হয় তা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।