— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
ন্যানোটেকনোলজি-র সাহায্যে একদল গবেষক প্লাস্টিকের বিষাক্ত উপাদান নির্মূল করার উপায় খুঁজে বের করে ফেলেছেন। বড় গণকযন্ত্রকে ছোট্ট ল্যাপটপের রূপ দেওয়া হয়েছে ওই প্রযুক্তির সাহায্যেই। অণুর থেকেও ছোট কণাকে বিভিন্ন সার্কিট, সামগ্রী ব্যবহারের কৌশলকেই ন্যানোটেকনোলজি বলা হয়েছে থাকে। ওই প্রযুক্তির সাহায্যে সাধারণ অণু বা পরমাণুর তুলনায় কয়েকগুণ ছোট কণাকে নিয়েই কাজ চলে।
কারা পড়তে পারবেন এই বিষয় নিয়ে?
দ্বাদশে পদার্থবিদ্যা, রসায়ন,গণিত নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক কিংবা সমতুল পরীক্ষায় উত্তীর্ণেরা ন্যানোটেকনোলজি নিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পেয়ে থাকেন।
— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
কী কী বিষয় নিয়ে পড়া যায়?
ন্যানোটেকনোলজি, মেটিরিয়াল সায়েন্স, ন্যানো সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়গুলি নিয়ে স্নাতক স্তরে পড়া যায়। এ ছাড়াও ন্যানোটেকনোলজি নিয়ে স্নাতকোত্তর স্তরে স্পেশ্যালাইজ়েশনের সুযোগ থাকে। সে ক্ষেত্রে স্নাতকে পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, মেটিরিয়াল সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনা করতে হবে।
কোথায় পড়ানো হয়?
আইআইটি প্রতিষ্ঠানের দিল্লি, বোম্বে, মাদ্রাজ; আইআইএসসি বেঙ্গালুরু, আইআইএসইআর-এর প্রতিষ্ঠানগুলিতে ন্যানোটেকনোলজি নিয়ে স্নাতক থেকে পিএইচডি স্তর পর্যন্ত সমস্ত ধরনের কোর্স করানো হয়। এ ছাড়াও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়েও এই বিষয় নিয়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।
কোন কোন বিভাগে কাজের সুযোগ?
চিকিৎসা, প্রতিরক্ষা, বৈদ্যুতিন সামগ্রী তৈরি, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, ফার্মাসি, শক্তি উৎপাদন কেন্দ্রে ন্যানোটেকনোলজি স্পেশ্যালিস্টদের নিয়োগ করা হয়ে থাকে। ওই সমস্ত ক্ষেত্রে রিসার্চ সায়েন্টিস্ট, ন্যানোমেটিরিয়ালস ইঞ্জিনিয়ার, সেমিকন্ডাক্টর রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট, প্রসেস ইঞ্জিনিয়ার, চিপ ফ্যাব্রিকেশন স্পেশ্যালিস্ট, ব্যাটারি মেটিরিয়ালস সায়েন্টিস্ট, ন্যানোমেডিসিন রিসার্চার পদে নবীন স্নাতকদের চাহিদা রয়েছে যথেষ্ট।
— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
বেতন কাঠামো:
নিযুক্তদের প্রাথমিক পর্যায়ে চার থেকে সাত লক্ষ টাকা বার্ষিক বেতন দেওয়া হয়ে থাকে। অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধি পেলে তা ৮ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা হয়ে যায়। বিজ্ঞানীদের জন্য ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক বেতন হিসাবে বরাদ্দ থাকে।