জয় কামদার। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
জালিয়াতির মাধ্যমে জোর করে জমি দখল এবং ওই জমিতে অবৈধ নির্মাণের মামলায় ইডি হেফাজতে থাকা নির্মাণ ব্যবসায়ী জয় কামদারের ঘনিষ্ঠ কল্যাণ শুক্ল নামে আর এক ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে রবিবার তল্লাশি চালাল ইডি। ইএম বাইপাস সংলগ্ন একটি বহুতল আবাসনের ফ্ল্যাটে এ দিন সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে তারা তল্লাশি চালায়। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ইডির তদন্তকারীদের নামে তোলাবাজির মামলায় দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিল কল্যাণ।
এ বারের ভোটে উত্তর কলকাতায় শাসক দলের এক মহিলা প্রার্থীও জয় কামদারের ঘনিষ্ঠ বলে তদন্তকারীদের সূত্রে দাবি। আরও দাবি, কল্যাণের ফ্ল্যাটে তাঁর যাতায়াত, বসবাসের কথাও, তদন্তে উঠে এসেছে। তদন্তকারীদের সূত্রে দাবি, কল্যাণ এবং জয়ের আর্থিক লেনদেনের নানা সূত্র মিলেছে। অবৈধ নির্মাণের কালো টাকা নানা ব্যবসায় এবং ঘনিষ্ঠদের সংস্থায় বিনিয়োগ করেছিল জয়। হেফাজতে থাকা জয়কে জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসা নতুন তথ্যের ভিত্তিতেই এই তল্লাশি।
তদন্তকারীদের দাবি, ওই মামলায় পলাতক অভিযুক্ত বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুরও ঘনিষ্ঠ কল্যাণ। এ দিন সকাল থেকে কল্যাণ ও জয়ের ঘনিষ্ঠ সঞ্জয় কানোরিয়া নামে আলিপুরের বাসিন্দা এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। কল্যাণের ফ্ল্যাটের মালিকানার নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক সূত্রের ভিত্তিতে তদন্তকারীদের দাবি, কলকাতা পুরসভার এক প্রাক্তন কর্তার ছেলের নামে ফ্ল্যাটটি কেনা হয়। কল্যাণের পাশাপাশি তাঁর ঘনিষ্ঠ মহিলা প্রার্থীর কাছে বেআইনি নির্মাণের কালো টাকা পৌঁছেছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আলিপুরের ব্যবসায়ী এবং কল্যাণের ফ্ল্যাট থেকে নির্মাণ সংক্রান্ত বহু নথি মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। কল্যাণ-সঞ্জয়ের মোবাইল ও ল্যাপটপও বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জয়ের বেআইনি নির্মাণের কালো টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে বিদেশে পাচার নিয়েও তদন্তকারীরা খোঁজ করছেন।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে