Bengal elections 2026

রাজ্যে প্রথম প্রার্থিতালিকা ঘোষণা! নির্ঘণ্ট প্রকাশ হতেই পাহাড়ে একা লড়াইয়ের ঘোষণা ‘মমতাপন্থী’ অনীতের

পাহাড়ে দেওয়াল লিখনের চল নেই। তাই প্রার্থীদের নামে ব্যানার, ফেক্স এবং পোস্টার তৈরি করা হয়েছে। মঙ্গলবার থেকেই গোটা পাহাড় বিজিপিএমের পতাকা-সহ পোস্টার, ব্যানারে মুড়ে ফেলা হবে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ মার্চ ২০২৬ ২২:৩৮
Share:

(বাঁ দিকে) অনীত থাপা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার অব্যবহিত পরেই প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিল অনীত থাপার দল ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা (বিজিপিএম)। ‘মমতাপন্থী’ বলে পরিচিত অনীতের দল পাহাড়ে দার্জিলিং, কালিম্পং ও কার্শিয়াং থেকে একক ভাবেই লড়াই করবে।

Advertisement

দার্জিলিং বিধানসভায় অনীতের দল প্রার্থী করেছে বিজয়কুমার রাইকে। এ ছাড়া কালিম্পং শহরে গতবারের বিধায়ক রুদেন সদা লেপচাকে প্রার্থী করা হয়েছে। কার্শিয়াং বিধানসভায় বিজিপিএমের দেওয়া মোমবাতি চিহ্নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন অমর লামা।

পাহাড়ে জিটিএ-সহ দার্জিলিং পুরসভা দখলে রয়েছে অনীতের দলের। রাজ্য সরকারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পাহাড়ের উন্নয়নের কাজ করছে তারা। বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে অনেক আগে থেকে অনীতরা প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিলেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্রে খবর। প্রার্থীদের নামও যে তাঁরা তৈরিই রেখেছিলেন, তা রবিবার ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পরেই পরিষ্কার হল। বস্তুত, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে অনীতের দলই প্রথম যারা, প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করল। বিজিপিএম সূত্রে খবর, দলের প্রত্যেক সদস্যের মতামত নিয়ে তারা প্রার্থী বাছাই করেছে। পাহাড়ে দেওয়াল লিখনের চল নেই। তাই প্রার্থীদের নামে ব্যানার, ফেক্স এবং পোস্টার তৈরি করা হয়েছে। মঙ্গলবার থেকেই গোটা পাহাড় বিজিপিএমের পতাকা-সহ পোস্টার, ব্যানারে মুড়ে ফেলা হবে। নির্বাচনে একা লড়ার সিদ্ধান্ত নিলেও অনীতরা আশাবাদী, অন্যান্য নির্বাচনের মতো এ বারও তৃণমূল তাদের সমর্থন করবে। পাহাড়ে তিনটি আসনে জয়ের বিষয়েও ১০০ শতাংশ নিশ্চিত বলে মন্তব্য করেছেন বিজিপিএমের মুখপাত্র শক্তিপ্রসাদ শর্মা। তিনি বলেন, ‘‘আমরা অনেক দিন ধরেই প্রস্তুত ছিলাম। শুধু অপেক্ষা করছিলাম কবে নির্বাচনের দিন ঘোষণার।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘পাহাড়ের প্রতিটি মানুষ আমাদের সঙ্গে। তাই জয়ের বিষয়ে আমরা এতটা নিশ্চিত। আর তৃণমূলের সঙ্গে কথা না হলেও আমরা আশাবাদী যে তারা আমাদের সঙ্গেই থাকবে। বাকি দল কী করবে তা নিয়ে আমাদের মাথাব্যথা নেই। স্থানীয় ভাবে নির্বাচনে আমরাই শক্তিশালী।’’

Advertisement

অন্য দিকে, একদা পাহাড়ের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করা গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিমল গুরুং ‘দিশেহারা’। পাহাড়বাসীকে পৃথক রাজ্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধেছিলেন তিনি। এখন অজয় এডওয়ার্ডের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পাহাড়ে তৃতীয় শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চাইছেন গুরুং। যদিও এখনই নির্বাচনে লড়াই বা প্রার্থী নিয়ে কথা বলতে নারাজ দুই তরফই। মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরি বলেন, ‘‘আমরা বৈঠকে বসেছি নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরেই। জোট নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সব দরজা খোলা রয়েছে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement