—প্রতীকী চিত্র।
রাজ্য বিজেপির নির্বাচনী ‘সঙ্কল্প পত্রে’র (ভরসা পত্র) উদ্বোধনে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলে গিয়েছিলেন, নববর্ষের দিন থেকে রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন পর্যন্ত বাংলার হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের লড়াই চলবে। সেই মতো পয়লা বৈশাখের দিন থেকেই প্রচারে গতি বাড়াচ্ছে বিজেপি। ওই দিন থেকে প্রতিদিন দুপুর ১২টায় কলকাতার বিধাননগর দফতরে, দুর্গাপুর এবং শিলিগুড়ি এই তিন জায়গা থেকে একযোগে সাংবাদিক সম্মেলন করা হবে এবং তৃণমূলকে একটি করে প্রশ্ন করা হবে।
প্রথম ও দ্বিতীয় দফা ভাগ করে বিজেপি প্রায় ৫০০টি করে সভা (পথসভা এবং জনসভা মিলিয়ে) করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্যের শীর্ষ নেতারা সেই প্রচারের অংশ হবেন। বিজেপি সূত্রের খবর, প্রথম দফার যে তালিকা তৈরি হয়েছে, সেই অনুযায়ী সর্বোচ্চ সংখ্যায় সভা করার কথা অমিত শাহের। তিনি ৩০টি সভা করতে পারেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাতে রয়েছে ২৪টি সভা। এর পরেই আছেন মিঠুন চক্রবর্তী। তিনি করতে পারেন ২৩টি সভা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের রয়েছে ১১টি করে সভা। দুই কেন্দ্রের প্রার্থী হওয়ায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর প্রচার সভার সংখ্যা তুলনামূলক ভাবে কম রাখা হয়েছে।
গত বিধানসভা এবং লোকসভা নির্বাচনে সংখ্যালঘু-অধ্যুষিত মুর্শিদাবাদ এবং মালদহে সভা করেছিলেন তীব্র হিন্দুত্বের প্রচারক বলে পরিচিত যোগী। যার ফলে উল্টো দিকে মুসলিম ভোট একত্রিত হয়েছিল বলে মত রাজনৈতিক শিবিরের একাংশ। এখনও পর্যন্ত ঠিক আছে, ওই দুই জেলায় হয়তো প্রচারে যাবেন না যোগী। পরিবর্তে মধ্য ও দক্ষিণবঙ্গের গ্রামীণ আসনে তাঁকে নিয়ে গিয়ে প্রচার করানোর পরিকল্পনা করছে বিজেপি নেতৃত্ব। সব ঠিক থাকলে আজ, রবিবার বাঁকুড়ার সোনামুখী এবং পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমার ও কাঁথি দক্ষিণে সভা করতে পারেন যোগী।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে