CEO Manoj Agarwal in Jangalmahal

জঙ্গলমহলের ৫ গণনাকেন্দ্রে ঝটিকা সফর সিইও-র! স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা বিতর্কে জবাব মনোজের, পুনর্নির্বাচন কোথায়?

মনোজ অগ্রবাল প্রথমে যান পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে। সেখানে গণনাকেন্দ্রের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখে তিনি চলে যান পুরুলিয়া শহরের গণনাকেন্দ্রে। তার পর ঝাড়গ্রামের গণনাকেন্দ্রে হাজির হন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ মে ২০২৬ ১৯:০৬
Share:

বাঁকুড়ায় সিইও মনোজ অগ্রবাল। —নিজস্ব চিত্র।

জঙ্গলমহলের তিন জেলার মোট পাঁচটি গণনাকেন্দ্র পরিদর্শন করলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ অগ্রবাল। প্রথমে পুরুলিয়া জেলার দু’টি, তার পরে ঝাড়গ্রাম জেলার একটি এবং বাঁকুড়া জেলার দু’টি গণনাকেন্দ্রের পরিকাঠামো-সহ সমস্ত ব্যবস্থা সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। সেখান থেকে আভাস দিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার নানা বুথে পুনর্নির্বাচনের। জবাব দিয়েছেন, স্ট্রংরুম-বিতর্কেও। তার অব্যবহিত পরেই ওই জেলারই মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের ১১টি বুথ এবং ডায়মন্ড হারবারের ৪টি বুথে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শনিবার সকাল ৭টা থেকে ওই বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচন শুরু হবে। চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

Advertisement

বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশের আর দু’দিন বাকি। দু’দফায় ভোটগ্রহণের মতো ভোটগণনাও শান্তিপূর্ণ ভাবে মেটাতে সচেষ্ট কমিশন। সেই লক্ষ্যেই শুক্রবার ভোটগণনার আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জঙ্গলমহলের তিন জেলায় ঝটিকা সফর করেছেন। হেলিকপ্টারে চেপে প্রথমে সিইও যান পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে। সেখানে গণনাকেন্দ্রের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখে চলে যান পুরুলিয়া শহরের গণনাকেন্দ্রে। সেখান থেকে ঝাড়গ্রামের গণনাকেন্দ্রে হাজির হন তিনি। পরে বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিষ্ণুপুরের কেজি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের গণনাকেন্দ্রের পরিকাঠামো ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন। সূত্রের খবর, ঝটিকা সফরে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির জেলাশাসক-সহ নির্বাচনী আধিকারিকদের সঙ্গে পৃথক পৃথক ভাবে গণনাকেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকও করেন সিইও। বাঁকুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণনাকেন্দ্র পরিদর্শন করে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘‘দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার একাধিক বুথে পুনর্নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে। তা নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে। কোন কোন বুথে এই পুনর্নির্বাচন হবে তা শুক্রবারের মধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হবে।’’

স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের উত্তরে সিইও বলেন, ‘‘ওখানে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা রয়েছে। শুধু অভিযোগ করলেই হয় না। লিখিত অভিযোগ এখনও পর্যন্ত কেউ করেননি।’’

Advertisement

ভোটগণনার দিন এবং ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে নির্বাচন কমিশন যে ‘জ়িরো টলারেন্স নীতি’ নিয়েছে, তা-ও স্পষ্ট করে দেন সিইও। তিনি বলেন, ‘‘ভোটগণনার দিন এবং নির্বাচনের পরে হিংসা রুখতে এ রাজ্যে যথেষ্ট সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকবে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement