প্রথম দফার ভোটের ট্রাইবুনাল নিষ্পত্তির তথ্য প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। —ফাইল চিত্র।
বিবেচনাধীন তালিকা থেকে বিচারকেরা
যে সমস্ত নাম বাদ দিয়েছিলেন, তার মধ্যে প্রথম দফার ১৩৯ জন ভোটারের নাম তালিকায়
তুলল ট্রাইবুনাল। তবে আগের তালিকা থেকে মুছেও দেওয়া হল আট জনের নাম। বুধবার
সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন ট্রাইবুনালে নিষ্পত্তির তথ্য প্রকাশ করেছে। তাতেই এই
পরিসংখ্যান জানা গিয়েছে। প্রথম দফার মোট ৬৫৭টি মামলার নিষ্পত্তি করেছে ট্রাইবুনাল।
কমিশন জানিয়েছে, বুথ অনুযায়ী ভোটারদের তথ্য বিএলও, নির্বাচনী আধিকারিক এবং সমস্ত রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছে। ভোটারদের কাছেও তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের পর বিবেচনাধীন তালিকায় ছিল ৬০ লক্ষাধিক নাম। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা সেই বিবেচনাধীন তালিকার নামগুলির নিষ্পত্তি করেন। তাতেও অনেক ভোটার ‘অযোগ্য’ হিসাবে বিবেচিত হয়েছিলেন। আদালত জানিয়েছিল, চাইলে এই ভোটারেরা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে গঠিত ট্রাইবুনালে আবেদন জানাতে পারবেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রথম এবং দ্বিতীয় দফার ভোটার তালিকা আগেই ‘ফ্রিজ়’ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শীর্ষ আদালত জানায়, ভোটের দু’দিন আগেও ট্রাইবুনাল যে সমস্ত নামের নিষ্পত্তি করবে এবং যাঁদের ভোটার হিসাবে ছাড়পত্র দেবে, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোট বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল। সেই অনুযায়ী বুধবার রাতে ট্রাইবুনালের নিষ্পত্তির পরিসংখ্যান এল।
৬৫৭টি মামলার মধ্যে ১৩৯ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া এবং আট জনের নাম মুছে দেওয়া হয়েছে। বাকিদের নাম কি ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ল? কমিশন সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজকুমার অগ্রবাল জানিয়েছেন, ‘যোগ্য’ এবং ‘অযোগ্য’ ভোটারের যে তথ্য ট্রাইবুনালের তরফে দেওয়া হয়েছে, তা-ই কমিশন প্রকাশ্যে এনেছে। কত জন বাদ পড়েছেন, তা ট্রাইবুনালই বলতে পারবে। তাদের কাজে সিইও দফতর নাক গলাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন মনোজ।
বৃহস্পতিবার প্রথম দফায় রাজ্যের ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। দ্বিতীয় দফার ভোট রয়েছে ২৯ এপ্রিল। ভোটের ফলাফল জানা যাবে ৪ মে।