বিমান বসু। — ফাইল চিত্র।
রাজ্যে বিধানসভা ভোট ঘোষণা হয়ে যেতে পারে কয়েক দিনের মধ্যে। অনেক দিন আগে শুরু করেও আসন ভাগাভাগির প্রক্রিয়া এখনও সম্পূর্ণ করতে পারল না বামফ্রন্ট!
বামফ্রন্টের তিন শরিক দল ফরওয়ার্ড ব্লক, সিপিআই এবং আরএসপি-র সঙ্গে সিপিএমের আসন ভাগ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এর মধ্যে সিপিআইয়ের সঙ্গে আলোচনাই এগিয়েছে তুলনায় মসৃণ ভাবে। তাদের ১৮টি আসনে লড়া নিশ্চিত, আরও একটি আসন নিয়ে আলোচনা চলছে। ফ ব এবং আরএসপি-র সঙ্গে সমীকরণ তুলনায় জটিল। বাম সূত্রের খবর, ফ ব-র ভাগের আসন ২২ থেকে বেড়ে ২৪ হয়েছে। কিন্তু ফ ব-র রাজ্য নেতৃত্ব ২৮টি আসনের দাবিতে অনড়। সিপিএম রাজ্য নেতৃত্ব ২৫-২৬ কেন্দ্রের উপরে উঠতে রাজি নন। এলাকায় সংগঠন, স্বাধীন রাজনৈতিক কর্মসূচি চোখে না-পড়লেও ফ ব নেতৃত্ব আসনের জন্য এত অনড় কেন, সেই প্রশ্নে ক্ষোভ বাড়ছে সিপিএমের নিচু তলায়। আর এক শরিক আরএসপি-র জন্য আগেই নির্ধারিত হয়ে যাওয়া ১৩ আসনের সঙ্গে যোগ হয়েছে মালদহের বৈষ্ণবনগর। আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে শুক্রবার সিপিএমের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে আরএসপি নেতৃত্ব ফের জানিয়ে দিয়েছেন, কালচিনি, কালীগঞ্জ, বাসন্তী বা বোলপুরের মতো আসনের দাবি থেকে তাঁদের সরে আসা সম্ভব নয়। এমতাবস্থায় আজ, শনিবার আরএসপি-র রাজ্য কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানেই দলের অবস্থান চূড়ান্ত হতে পারে।
দ্বিপাক্ষিক আলোচনা-পর্বের পাশাপাশি এ দিন বামফ্রন্টেরর বৈঠকও হয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যের মোট বিধানসভা আসনের প্রায় ৮০% ক্ষেত্রেই সমঝোতা হয়ে গিয়েছে বলে সেই বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। ঠিক হয়েছে, সমঝোতা চূড়ান্ত হয়ে যাওয়া আসনগুলির জন্য সব শরিক দলই রবিবার রাতের মধ্যে প্রার্থী তালিকা জমা দেবে। তার পরে আগামী ১৬ বা ১৭ মার্চ বামফ্রন্টের ফের বৈঠক ডেকে প্রাথমিক আসন ও প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতে পারে। তবে ফ্রন্টের বাইরে আইএসএফের সঙ্গে সমঝোতা ২৬ আসনের পরে আর বিশেষ এগোয়নি। মুর্শিদাবাদ জেলায় কয়েকটি আসনে সিপিআই (এম-এল) লিবারেশন এবং আরএসপি একই সঙ্গে দাবিদার। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর এক সদস্যের বক্তব্য, ‘‘প্রয়োজন হলে আইএসএফের সঙ্গে নিষ্পত্তি হওয়া ও না-হওয়া কিছু আসন ছেড়ে রেখে বামফ্রন্টের তালিকা ঘোষণা হতে পারে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে