সরাসরি
West Bengal Election 2026

‘দুবাই, সৌদিতে গিয়ে গলা জড়িয়ে ধরার সময় তো ভাবেন না তিনি হিন্দু, না মুসলিম’! মোদীকে কটাক্ষ মমতার

আগামী বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় এবং শেষ দফার ভোট রয়েছে। নির্বাচনের প্রচারে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে সভা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৩৪
Share:

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। — ফাইল চিত্র।

না-জানলেই নয়
শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২১:০১ key status

ভোটের আর্জি!

‘‘দু’নম্বরে আমার প্রতীক রয়েছে। ভোট দিন।’’

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৫৯ key status

‘একা লড়ব’!

‘‘আমি যত দিন আছি, কারও গায়ে হাত দিতে দেব না। আগে দিল্লি সামলান, পরে এদিকে দেখবেন। এত ঔদ্ধত্য, অহঙ্কার। আমাদের সঙ্গে যাঁরা ছিল, সকলকে পাল্টে দিয়েছে। আমি একা লড়াই করব। দেখব কত সাহস।’’

Advertisement
শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৫৮ key status

‘দিল্লিকে শেষ করেছেন’!

‘‘অনুপ্রবেশকারী কত? প্রশ্ন করেছিলাম। ২০২৫ সালে বলেন, আড়াই হাজার। তাঁদের আপনি এনেছেন। তাঁদের ভোটে জিতেছেন। আপনার তো ইস্তফা দেওয়া উচিত। এখন বলে ঝুপড়ি বানিয়েছি। অনুপ্রবেশকারীর কারখানা করেছি! চোখ মেলে দেখুন, কলকাতা কী হয়েছে? দিল্লিকে শেষ করেছেন। দিল্লি থেকে ইডি, সিবিআই, সিএপিএফ নিয়ে আসেন। সাঁজোয়া গাড়ি আনেন। দেশে যুদ্ধ হলে চুপ থাকেন।’’

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৫৪ key status

কটাক্ষ

‘‘আলিপুরে বাঘের খাঁচা করেছি বুলেটপ্রুফ। সামনে দাঁড়ালে মনে হবে বাঘের সামনে রয়েছে। এ সব চালাকি। দুবাই, সৌদি আরবে গিয়ে কার গলা জড়িয়ে ধরেন? তখন ভাবেন না, ও হিন্দু না মুসলিম? ভারতে এলে রোহিঙ্গা হয়ে যায়?’’

Advertising
Advertising
শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৫২ key status

‘দেশভাগ করতে চায়’!

ভবানীপুরের কলিন লেনের সভায় মমতা বললেন ‘‘বাংলা মাথানত করে না। আমাদের মেয়েরা বিচুটি পাতার নাড়ু বানায়। গায়ে ঘষলে ঠান্ডা হয়ে যাবে। সঙ্গে চুন মেশান। দেশভাগ করতে চায়। আমরা তা দেব না। ওরা ভালবাসে না।’’

Advertisement
শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৫০ key status

ঝাল বুজবে ৪ তারিখ!

‘‘ঝাল বুজবে ৪ তারিখ। গণনা শুরু হবে দেখবে। প্রথমে ভ্যানিশ কমিশন বলবে জিতছে।’’ 

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৪৮ key status

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়-মন্তব্য নিয়ে কটাক্ষ!

‘‘মহিলা বিল পাশ হয়েছে ২০২৩ সালে। কার্যকর করোনি কেন? প্ল্যান বি ছিল। দেশভাগ, রাজ্য ভাগ। আমি ২১ জন এমপি পাঠিয়ে বলেছি, পরাস্ত করে এসো।’’

‘‘যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কী বলেছে, দেখেছেন? ওরা নাকি অ্যানার্কি করে। তরুণের স্বপ্নে লেখআ ছিল। ভুল করার অধিকার রয়েছে। ওর গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে প্রতিবাদের। আমায় অনেক বার ঢুকতে দেয়নি, তা বলে কি আমি বিরোধী হয়ে যাব? অনশন করেছিল, ছুটে গিয়েছিলাম। বাংলার এক নম্বর বিশ্ববিদ্যালয়। পড়ুয়াদের মেধা রয়েছে। যুবসমাজের প্রতিবাদ করা উচিত। এখান থেকে ট্যালেন্ট বেরিয়ে আমেরিকা, ইউকে চালায়। আপনি বলছেন অ্যানার্কি? মণিপুরে কী চলছে? মহিলা, সংখ্যালঘুদের বিরোধী তিনি। এ বারের ভোট সম্মানের ভোট।’’

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৪৪ key status

‘অভিযোগ করে লাভ নেই’!

‘‘বিজেপির নেতা ২০ জন নেতা নিয়ে ঘোরে। মানে পুলিশের নেতা। দিল্লি থেকে আগত। ওদের নামে অভিযোগ করে কিছু হয় না। বলছেন, উল্টো ঝোলাবেন— তাও পদক্ষেপ হয় না। অর্থমন্ত্রী বিধি লঙ্ঘন করলেন। কার্ড বিলি করলেন। কিছু করা হল না। আমি এ রকম ভোট দেখিনি। আপনাদের আশীর্বাদে সাত বার এমপি হয়েছি। চার বার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছি। অনেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করেছি। কিন্তু এরা শ্রদ্ধার যোগ্য নয়।’’

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৪১ key status

নাম না করে প্রতিপক্ষকে কটাক্ষ!

‘‘খুব ভাষণ দিচ্ছেন। যত কম বলি, তত ভাল। বলে আমি গুরুত্ব দিতে চাই না। অনেক বাজে কথা বলছে। আমি পুষে দেখেছি। তার আগে তিন বার হেরেছিল মেদিনীপুরে। কংগ্রেস করত, তৃণমূল করত। যখন তৃণমূল জন্মেছিল, ওরা ছিল না। তখন ওই আসনে প্রার্থী ছিলেন অখিল গিরি। পিতাজি তখন তিন নম্বরে গিয়েছিল। তার পরে তৃণমূলের বাজার দেখে এল। সব লুটেপুটে খেল। যেই ইডি পিছনে লাগল, অমনি বিজেপি হয়ে গেল।’’

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৩৬ key status

‘সরকারি বিজ্ঞাপন দিই না’!

‘‘আমি জাগো বাংলায় সরকারি বিজ্ঞাপন দিই না। এক বার টুম্পাই ভুল করে বিজ্ঞাপন নিয়েছিল। সিবিআই নোটিস পাঠায়। গণশক্তিতে চিটফান্ডের টাকা রয়েছে। বিজেপিরও রয়েছে। সেই নিয়ে কোনও কথা বলে না। মিথ্যার ফুলঝুড়ি। আমায় রোজ পাড়ায় দেখতে পান। আমি এখানেই থাকি।  এটাই আমার ঘর, বাড়ি, কর্ম, শিক্ষা। যাঁরা বহিরাগতেরা এসেছেন, খুব ভাষণ দিচ্ছেন। যত কম বলি, সেটাই ভাল। বাজে কথা বলছি।’’

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:৩২ key status

ঝালমুড়ি-কটাক্ষ

‘‘গুরুদ্বারে ফটক চেয়েছিল। দিয়েছি। সেন্ট জেভিয়ার্স জমি চেয়েছিল, দিয়েছি। বিজেপি তুই জ্বলে যা। ঝালমুড়ি স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে খেলে ক্যামেরা কী ভাবে রাখা ছিল? পকেট থেকে ১০টাকা দিল। সাজানো নাটক। সকালে কাজ নেই। ঘুরতে বেড়িয়েছিলেন। নৌকা বিহার। বাংলা দখল করবে ইডি দিয়ে। বিহারে নীতীশকুমারকে সামনে রেখে ভোট করল, ভোট হলে ও বাদ। মহিলাদের আট হাজার টাকা দিয়েছিল। পরের দিন বুলডোজ়ার চালাল। টাকা চাইল লক্ষ্মীর ভান্ডার কোনও দিন ফেরত চেয়েছি?’’ 

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:২৯ key status

‘দেখা নেই’!

‘‘কয়লা, সিআরপিএফ, মিলিটারি— সব কেন্দ্রের হাতে। পহেলগাঁওয়ে যখন হামলা হয়, তখন বাহিনী কোথায় ছিল? কাল রটিয়েছে, ৪টের পরে ঝামেলা হবে। যাতে মানুষ ভোট না দেয়। এ ভাবে রোখা যায়? গট গট করে আসবে, ৪ তারিখের পরে পালাবে। হিংসা হলে দেখা নেই, হিংসা করিয়ে পালায়। আম্পানে কী হয়েছিল মনে আছে? অতিমারির সময় আমি পাড়ায় পাড়ায় ঘুরেছিলাম। ওদের দেখা নেই। ভোটের সময় যত, তার পরে তোমার দেখা নাই।’’

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:২৬ key status

‘ধর্মের শিক্ষা নিতে হবে?’

‘‘ওদের কাছে ধর্মের শিক্ষা নিতে হবে? আমার ঠাকুরের আসন। পুজো করে তবে চা খাই। বাড়ি থেকে বেরোই। তিন বার পুজো করি। যে ঘরে থাকি, সেই দেওয়াল শিব মন্দির। আমি হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ, ইসলাম, খ্রিস্টান— সকলকে ভালবাসি। ছট পুজোয় গেলে ইফতারে কেন যাব না? ’’

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:২১ key status

‘ঈশ্বর জবাব দেবে’

‘‘পুজোর সময় ক্লাবগুলোকে যখন টাকা দিলাম, আমার বিরুদ্ধে কেস করল। বেশ করেছি দিয়েছি, আবার দেব। পুজো করবে না ভাল করে? মাছা-মাংস খাবে না? আমি সব খাই। পঞ্জাবি ভাইদের থেকে হালুয়া চেয়ে খেয়েছি। বগলা মায়ের মন্দির করেছি আমার বাড়ির কাছে। সিঙ্গুরে বলেছিলাম, কৃষকেরা জমি ফিরে পেলে সন্তোষী মায়ের মন্দির করব। করেছি। জগন্নাথ ধামে সোনার ঝাঁটা দিয়েছি। আজ পর্যন্ত স্যালারি নিইনি। গাড়ি দলের। সাত বারের সাংসদ। ১৯৮৪ থেকে ২০১১ পাঁচ হাজার করে বেড়েছে। এক টাকাও নিইনি। সব বলে দুর্নীতিবাজ। ভগবান ওদের জিভ কেটে দেবে। ঈশ্বর জবাব দেবে।’’

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:১৮ key status

‘ভাল জিনিস টুকলি করুক’!

‘‘ছ’টি ইকোনমিক করিডোর হচ্ছে বাংলায়। দোকানদারদের কথা কেউ ভাবতেন না। তা-ও ভেবেছি। আলিপুর জেলকে আলিপুর জাদুঘর করেছি। ধনধান্য, সৌজন্য ভবানীপুরে হয়েছে। ত্রিফলা যখন বসাতে শুরু করলাম, সবাই গাল দিল। নীল-সাদা রং করলাম, বলল আর্জেন্তিনা হয়েছে। দলের রং করিনি। নীল আকাশের রং। আমাদের টুকলি করে দিল্লিতে মহারাষ্ট্রে, কর্নাটকে করছে। ভাল জিনিস টুকলি করুন, চুকলি নয়। বাস স্ট্যান্ড করে দিয়েছি। পাড়ায় পাড়ায় শৌচালয় হয়েছে। কলকাতায় সবুজায়ন হয়েছে।’’

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:১৪ key status

সুবিধা

‘‘যুবসাথী ভিক্ষা ভাতা নয়। অনেকে মাধ্যমিক পাশ করলে ক্যান্টিনে খেতে ইচ্ছা করে। টাকা কী ভাবে পাবে? এখন কাজের লোক পাবেন না। বিনা পয়সায় রেশন, বাচ্চাদের বিনা পয়সায় শিক্ষা, স্কুলে ইউনিফর্ম, বই সব দিই। আউশগ্রামে দেখেছিলাম, বাচ্চাদের পায়ে জুতো নেই। শিক্ষামন্ত্রীকে ফোন করে বলেছিলাম, সব বাচ্চাকে ড্রেস, জুতো দিতে। গ্রামে নবম শ্রেণিতে উঠলে সাইকেল দেওয়া হয়।’’

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:০৯ key status

মোদীকে কটাক্ষ!

‘‘প্রধানমন্ত্রী চলে গেলেন নৌকা বিহার। ছবি তুলতে হবে। না তুললে পাগল হয়ে যায়। আমি খুশি, গঙ্গা দেখে গিয়েছে, কতটা পরিষ্কার। অনুরোধ করব, দিল্লিতে যমুনায় ডুবে আসুন। দূষিত।’’

‘‘বলেছিলেন ব্যাঙ্কে ১৫ লক্ষ টাকা দেবেন। কেউ পেয়েছেন? নোটবন্দি করে বলেছিলেন, কালো টাকা ফেরাবেন! পারেননি। উল্টে মা-বোনদের ভাণ্ডার চলে গেল। তাঁরা টাকা সঞ্চয় করে রাখেন। নোটবন্দির জন্য সব গেল। ওরা লক্ষ্মীর ভান্ডার কেড়ে নিয়েছে। তাই করে দিয়েছি। আড়াই-তিন কোটি মেয়েরা পায়। আজীবন পাবেন।’’

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:০৮ key status

শাহকে কটাক্ষ!

‘‘চার জন কাল ভোটের লাইনে মারা গিয়েছেন। গরম সহ্য করতে পারেননি। যন্ত্র খারাপ করিয়ে বসে থাকছে। ২ লক্ষ বাইরের পুলিশ এনেছে। অবজার্ভার মানে কনসার্ভার। এরা মানুষের ভোট পরিষ্কার করতে এসেছে। নিয়ম মানে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, নীচে ঝুলিয়ে মাথা, পেটানো হবে। আমি চেয়ারকে সম্মান করি। কিন্তু কী ভাবে বললেন? এটা কি অপরাধ নয়? তখন যদি অভিযোগ করেন, ভ্যানিশ উড়িয়ে দেবে।’’

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:০৫ key status

‘পর্যবেক্ষণ করেছি’!

‘‘আমি রাত সাড়ে ৩টে পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করেছি। মালদহের ইভিএম এসে পৌঁছেছে তখন। আমার নির্বাচনের আগে গণনা এজেন্টদের নিয়ে মিটিং করব। নন্দীগ্রামে কী হয়েছিল? কমিশন ঘোষণা করল। তার পরে কম্পিউটারে অন্য নম্বর লোড করল। যতক্ষণ না আপলোড হচ্ছে, কেউ ছেড়ে যাবেন না। মা-বোনেরা দেখবেন। খারাপ ইভিএম মেশিনে ভোট দেবেন। এই ভোটার স্লিপ রেখে দেবেন ভবিষ্যতের জন্য। ৩২ লক্ষ লোকের নাম সুপ্রিম কোর্টে কেস করে তুলিয়েছি। বাকি নাম তুলিয়ে দেব আগামী দিনে।’’

শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ২০:০০ key status

মানুষ ভোট দিয়েছে!

‘‘রিটার্নিং অফিসার কোলের ছেলে। দেখে দেখে বসিয়েছে। তারা নাকি জোর করে দখল করবে। পরশু ভোট হওয়ার আগে মেসেজ করল এক জন। বলল, গ্রামেগঞ্জে কীর্তন হচ্ছে না। আজানও নয়। গটগট করে বুটের শব্দ। এখানেও হবে। ৯৩ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে। এসআইআরের অত্যাচারের বিরুদ্ধে। সেই ভোট আপনার পক্ষে যাবে না। মানুষের পক্ষে গিয়েছে, তৃণমূূলের পক্ষে গিয়েছে। যেখানে আশা করিনি, সেখানেও জিতব।’’

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও পড়ুন
Advertisement