অমিত শাহ। —ফাইল চিত্র।
শাহ জানান, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার কারণে তিনি গোর্খা সমস্যার সমাধানের জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু রাজ্য সরকারের সদিচ্ছার অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। শাহের কথায়, ‘‘দেড় বছরে আমি তিন বার বৈঠকের কথা বলেছি। কিন্তু মমতাদিদি বা ওঁর কোনও প্রতিনিধি দিল্লি যাননি।’’
শাহের দাবি, হুমায়ুন কবীর নাটক করার জন্য তৃণমূলের থেকে আলাদা হয়েছে।
কেন্দ্রের দেওয়া ১০০ কোটি টাকা তৃণমূলের গুন্ডারা লুট করেছে বলে অভিযোগ করলেন অমিত শাহ।
শাহ বলেন, “আপনারা পদ্ম প্রতীকে ভোট দিন। তৃণমূলের গুন্ডাদের আমরা খুঁজে নেব।”
নববর্ষের দিন সোনার বাংলা গড়ার ডাক দিলেন অমিত শাহ।
জলপাইগুড়ির সভায় অমিত শাহ বলেন, “এখানকার সাতটি আসনই মোদীজিকে দিন। জলপাইগুড়ি থেকেই মমতা-বিদায়ের সূচনা হবে।”