বিষ্ণুপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজস্ব চিত্র।
কোন উন্নয়নের কাজ করেছ যে তোমায় ভোট দিতে হবে, বাংলাকে প্রথমে ভাতে মারার চেষ্টা করল ওরা। কিছু করতে পারল না। বাংলা ঠিক চলছে। বাংলায় ১০৫টি প্রকল্প আছে। যা অন্য কোথাও নেই। লক্ষ্মীর ভান্ডার সবাই পায়। যুবসাথী নতুন প্রকল্প, এটা ভিক্ষা বা ভাতা নয়। এটা তাঁদের পকেট খরচ।
প্রথমে ৫৮ লক্ষ বাদ। সেটা এখনও খোলেনি চ্যাপ্টার। তার পরেও ৪২ লক্ষের মধ্যে উকুন বাছার মতো করে ২২ লক্ষ লোকের নাম তুলেছে। সেটাও আমি কোর্টে কেস করেছিলাম বলে।
কেন মানুষের নাম কাটছেন? এর পর কি দেশ থেকে তাড়াবেন? দেশটা আপনাদের না কি? আপনাদের সম্পত্তি? না কি ভ্যানিশ ওয়াশিং মেশিনের সম্পত্তি?
ভোটের তিন মাস আগে এসআইআর করার কোনও প্রয়োজন ছিল? যদি ২০২৪-এর ভোটার লিস্টে নরেন্দ্র মোদী দেশের প্রধানমন্ত্রী হন, তা হলে আপনার ভোটাধিকার আপনি প্রয়োগ করেছিলেন। তা হলে নরেন্দ্র মোদীর প্রথম পদত্যাগ করা উচিত।
বাংলা ভাষায় কথা বললে বিহার, ওড়িশা, উত্তরপ্রদেশে পেটাচ্ছে। হোটেলে থাকতে পর্যন্ত দিচ্ছে না। বাংলায় নাকি সব অনুপ্রবেশকারী। আমি বলি তোমরা সবচেয়ে বড় অনুপ্রবেশকারী। দেশটাকে ধ্বংস করেছ। ওরা কংস। তাই দেশকে করেছে ধ্বংস।
ভোটের আগে বিহারে ওরা দিল আট হাজার ঘুষ, তার পরই ফুস! বিজেপিকে তোপ মমতার
বিজেপি বলে, আমরা হিন্দুদের রাজ্য করতে চাই। ওদের জিজ্ঞাসা করুন তুমি হিন্দু ধর্ম চেনো, জানো?
বাংলাকে বিশ্ববাংলা করব বলেছিলাম। আজ বিশ্ববাংলা বড় ব্র্যান্ড।
বাঁকুড়া, বিষ্ণুপুরের মাটি শিক্ষার মাটি, সংস্কৃতির মাটি, সঙ্গীতের ঘরানা, অন্য দিকে মন্দিরের ঘরানা। গোটা শহর জুড়ে পর্যটন ব্যবস্থাকে উন্নত করার জন্য জল, আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে: মমতা