মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল চিত্র।
‘‘এখন এসেছ বলতে, ‘হাম বাঙ্গাল মে রহেগা’। কিতনা দিন রহেগা? জাদা দিন রহোগে তো আপকা শকল দেখেঙ্গে তো সব আপকো ভুল জায়েঙ্গে। আপ দাঙ্গা করকে আয়া। ওই জন্য দাঙ্গাকারীকে কোনও মানুষ সমর্থন করে না।’’
‘‘মনে রাখবেন, আমাকে ধমকালে আমি গর্জাই। চমকালে আমি বর্ষাই। আমাকে বর্ষালে আমি উতরাই। আমাকে উতরালে আমি এগিয়ে যাই। বাধাবিপত্তি মানি না। আমি মানুষকে মানি। তাই বিজেপির অত্যাচারের বাঁধ ভেঙে দিন। ওরা স্বৈরাচারী, গণতন্ত্র হত্যাকারী। ওরা এই দেশকে ভালবাসে না। শুধু করে চুরি, আর টাকায় ভূরি ভূরি।’’
‘‘দিল্লি কা লাড্ডুরা জেনে রেখো, বাংলায় তোমাদের কোনও জায়গা নেই। অনেক মানুষ আত্মহত্যা করেছে। এখন তোমরা করেছ এসআইআর। অনেক বড় স্ক্যাম। কত কোটি কোটি টাকার খেলা। তার পরে করবে ডিলিমিটেশনের খেলা। তার পর করবে এনআরসি। চতুর্থ খেলা বাংলাকে দখল করা। বাইরের লোক দিয়ে ভোট করানো। অন্য কেউ ধরতে না পারলেও আমরা কিন্তু ধরতে পেরেছি। এবং আমরা ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে লড়াই করছি।’’
‘‘ইভিএম মেশিন ভাল করে দেখতে হবে, খোলা হাওয়ায় ঘুরলে হবে না। যদি কোনও জায়গায় ইভিএম মেশিন খারাপ হয়ে যায়, মা-বোনেরা দয়া করে অপেক্ষা করবেন। যাতে আপনার ভোট বিজেপি লুট করতে না পারে।’’
‘‘লক্ষ্মীর ভান্ডার কেন হল জানেন? মেয়েরা কিছু টাকা সঞ্চয় করে রাখে। বিপদ এলে, আত্মীয়স্বজন যখন আসে, তখন বার করে। নোটবন্দি যখন হল, তখন সব টাকা ফেরত দিতে হল। তখন আমি ভাবলাম মেয়েদের জন্য কিছু করা উচিত। আমরা বাংলায় প্রথম চিন্তা করেছিলাম মেয়েদের লক্ষ্মীর ভান্ডার ফিরিয়ে দিতে হবে।’’
‘‘দিল্লির বিজেপি সরকার পাঁচ বছর ধরে ১০০ দিনের কাজের টাকা দেয় না। কিন্তু আমরা নতুন প্রকল্প চালু করেছি। মহাত্মাশ্রী। যেটা কর্মশ্রী। রাস্তাঘাটের টাকা বন্ধ। আমরা আমাদের টাকা দিয়ে করেছি। আগের বার ইলেকশনে এসে বলেছিলাম, কোনও পদবি নয়, মানুষ দেখি, আমি সব পদবি, ধর্মকে সম্মান করি। বলেছিলাম, তোমাদের জন্য লক্ষ্মীর ভান্ডার করে দেব। ৫০০ টাকা দিয়ে শুরু করেছিলাম। এখন ১৫০০ টাকা করে পাচ্ছেন। বিজেপির মতো মিথ্যা কথা বলি না। ভাঁওতা দিই না। ইলেকশনের আগে বলবে ‘দেব’। তার পরে দেবে না, কেড়ে নেবে।’’
‘‘লক্ষ্মীর ভান্ডার, কন্যাশ্রী বিশ্বের এক নম্বর, এগুলো কেউ করতে পারবে না। দুয়ারে সরকারও কেউ করতে পারবে না। যতই টুকলি করুক। ওরা বলে, কী একটা বলে, ‘মমতাজি নে নেহি কিয়া’। কী যেন নাম, আয়ুষ্মান ভারত। আমি বললাম কেন করব? আমায় ৫০ শতাংশ টাকা দিতে হবে। তার পর বলছ, একটা কাঁচাবাড়িতে একটা দেওয়াল পাকা থাকলে পাবে না, স্কুটার থাকলে পাবে না, টেলিভিশন চ্যানেল থাকলে পাবে না। তা পাবেটা কী? কেউই তো পাবে না তা হলে।’’