গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
কমিশনের দেওয়া সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, রাজ্যে প্রথম দফায় মোটের উপর ভোট পড়েছে ৯২.৭৯ শতাংশ। আলিপুরদুয়ারে ৯২.৫২ শতাংশ, বাঁকুড়ায় ৯১.৫৬ শতাংশ, বীরভূমে ৯৪.৪৫ শতাংশ, কোচবিহার ৯৪.৪৫ শতাংশ, কোচবিহার ৯৫.৮১ শতাংশ, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৯৫.৩৯ শতাংশ, দার্জিলিঙে ৮৮ শতাংশ, জলপাইগুড়িতে ৯৪.৫৯ শতাংশ, ঝাড়গ্রামে ৯২. ১৪ শতাংশ, কালিম্পঙে ৮৩.০৬ শতাংশ, মালদহে ৯৪.৩২ শতাংশ, মুর্শিদাবাদে ৯৩.৫৫ শতাংশ, পশ্চিম বর্ধমানে ৯০.৩১ শতাংশ, পশ্চিম মেদিনীপুরে ৯২.১৬ শতাংশ, পূর্ব মেদিনীপুরে ৯১.০৯ শতাংশ, পুরুলিয়ায় ৯০.৭১ শতাংশ, উত্তর দিনাজপুরে ৯৪.১০ শতাংশ ভোট পড়েছে।
নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নতুন তথ্য অনুযায়ী, ৯২.৪৭ শতাংশ ভোট পড়েছে পশ্চিমবঙ্গে।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, স্বাধীনতার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ুতে সর্বোচ্চ ভোট পড়েছে এ বার। দুই রাজ্যের ভোটারদের কুর্নিশ জানিয়েছেন তিনি। কমিশন সূত্রে মেলা শেষ তথ্য অনুসারে পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় ভোট পড়েছে ৯২.০৭ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান বদলাতে পারে।
তামিলনাড়ুতে ভোটর হার ৮৪.২৯ শতাংশ (পরিসংখ্যান সংগ্রহের কাজ চলছে, তাই তার পরিবর্তন হতে পারে)।
রাজ্যে প্রথম দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে শমসেরগঞ্জ আসনে। সেখানে ভোটদানের হার ৯৫.৩৪ শতাংশ। ভগবানগোলায় ভোট পড়েছে ৯৫.৩১ শতাংশ। নন্দীগ্রামে ভোট পড়েছে ৯০.০৩ শতাংশ। বহরমপুর আসনে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮৯.৬০ শতাংশ (পরিসংখ্যান চূড়ান্ত নয়)।
প্রথম দফায় বিকেল ৫টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোটদানের হার দক্ষিণ দিনাজপুরে— ৯৩.১২ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কালিম্পঙে— ৮১.৯৮ শতাংশ।
বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যে প্রথম দফায় পড়ল ৮৯.৯৩ শতাংশ।
ভোট শেষ হওয়ার এক ঘণ্টা আগেই ২০২১ বা ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের ভোটদানের হারকে অনেকটা ছাপিয়ে গেল এ বারের বিধানসভা নির্বাচন। যে ১৫২ টি আসনে প্রথম দফার ভোট চলছে, সেগুলিতে ২০২১ সালে ভোট পড়েছিল ৮৩.২ শতাংশ। ২০২৪ সালে ৭৯.৮ শতাংশ। এ বার বিকেল ৫টার মধ্যেই সেই সব হার ছাপিয়ে ৮৯.৯ শতাংশ হয়ে গেল। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোটদান চলবে। আগামী বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটে এর কাছাকাছি হার বজায় থাকলেই পশ্চিমবঙ্গ ভেঙে দিতে পারে ভোটদানের বহু নজির।
চলতি বছর বিধানসভা ভোটে অসমে ভোট পড়েছে ৮৫.৩৮ শতাংশ। পুদুচেরিতে ভোটদানের হার ছিল চলতি বিধানসভা নির্বাচনে ৮৯.৯৩ শতাংশ। সেই দুই রাজ্যকে পিছনে ফেলল পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোট। তবে চলতি বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট ভোটদান কত হবে, সেই হার নজির গড়বে কি না, তা জানা যাবে দ্বিতীয় দফার পরেই।
পশ্চিমবঙ্গে এর আগে পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছিল ২০১১ সালে। ওই বিধানসভা নির্বাচনে ভোটদানের হার ছিল ৮৪.৩৩ শতাংশ।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
সন্ধ্যা ৬টায় ভোটদান শেষ হবে। ভোটদানের যে প্রবণতা প্রথম দফায় এখনও পর্যন্ত দেখা গিয়েছে, তা থাকলে বিকেল ৫টার মধ্যেই গত লোকসভা নির্বাচনে ভোটদানের হারকে ছাপিয়ে যেতে পারে এ বারের প্রথম দফা। যে ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রে বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ চলছে, সেগুলিতে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভোট পড়েছিল প্রায় ৮০ শতাংশ।
প্রথম দফার নির্বাচনে রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে শমসেরগঞ্জে। সেখানে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোটের হার ৮৭.৫৩ শতাংশ। বহরমপুরে ভোট পড়েছে ৭৭.৮৭ শতাংশ। ওই কেন্দ্রে কংগ্রেসের প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরী। নন্দীগ্রামে দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৮১.৩ শতাংশ। সেখানে বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।
দুপুর ৩টে পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়ল ৭৮.৭৭ শতাংশ। প্রথম দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত ১৬টি জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরে— ৮১.৪৯ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কালিম্পঙে— ৭৪.০৭ শতাংশ।
২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের সাত দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৫৯ থেকে ৭০ শতাংশের মধ্যে (প্রথম দফা: ৬৬.৩, দ্বিতীয় দফা: ৬০.৬, তৃতীয় দফা: ৬৩.১, চতুর্থ দফা: ৬৬.১, পঞ্চম দফা: ৬২.৭, ষষ্ঠ দফা: ৭০.২ এবং সপ্তম দফা: ৫৮.৫ শতাংশ)। এ বারের ভোটদানের হার সেই তুলনায় ন্যূনতম ৯ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বেশি।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
তামিলনাড়ুতে দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫৬.৮১ শতাংশ।
প্রথম দফায় দুপুর ১টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে শমসেরগঞ্জ আসনে। সেখানে ভোটের হার ৭১.০৭ শতাংশ। নন্দীগ্রামে ভোট পড়েছে ৬৫.৪৬ শতাংশ। দুপুর ১টা পর্যন্ত বহরমপুরে ভোট পড়েছে ৬১.৬৯ শতাংশ।
দুপুর ১টা পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়েছে ৬২.১৮ শতাংশ। দুপুর ১টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরে— ৬৫.৭৭ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে মালদহে— ৫৮.৪৫ শতাংশ।
দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটদানের হারও ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের তুলনায় অনেকটা বেশি। লোকসভা ভোট সাত দফায় হয়েছিল। দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৪৭ থেকে ৫৫ শতাংশের মধ্যে (প্রথম দফা: ৫১, দ্বিতীয় দফা: ৪৭.৩, তৃতীয় দফা: ৪৯.৩, চতুর্থ দফা: ৫১.৯, পঞ্চম দফা: ৪৮.৪, ষষ্ঠ দফা: ৫৪.৮ এবং সপ্তম দফা: ৪৫.১ শতাংশ)। অর্থাৎ, এ বারের প্রথম দফায় দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ২০২৪ সালের তুলনায় অন্তত ৯ থেকে সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বেশি।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
প্রথম দফায় সকাল ১১টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে শমসেরগঞ্জ আসনে। সেখানে ভোটের হার ৪৯.৫২ শতাংশ। নন্দীগ্রামে ভোট পড়েছে ৪২.৮০ শতাংশ। বহরমপুরে ভোট পড়েছে ৪১.৩১ শতাংশ।
সকাল ১১টা পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়েছে ৪১.১১ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরে। সেখানে সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৪৪.৬৯ শতাংশ। মালদহে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে। সেখানে ভোটের হার ৩৮.২২ শতাংশ।
২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের তুলনায় এই হার অনেকটাই বেশি। লোকসভা ভোট হয়েছিল সাত দফায়। ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ২৮ থেকে ৩৭ শতাংশের মধ্যে (প্রথম দফা: ৩৩.৬, দ্বিতীয় দফা: ৩১.৩, তৃতীয় দফা: ৩২.৮, চতুর্থ দফা: ৩২.৮, পঞ্চম দফা: ৩২.৭, ষষ্ঠ দফা: ৩৬.৯ এবং সপ্তম দফা: ২৮.১ শতাংশ)। অর্থাৎ, এ বারের প্রথম দফায় সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোটদানের হার ২০২৪ সালের তুলনায় অন্তত ৪ থেকে সর্বোচ্চ ১৩ শতাংশ বেশি।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
প্রথম দফায় সকাল ৯টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে বাঁকুড়া বিধানসভা আসনে। সেখানে ভোটের হার ২২.০৫ শতাংশ। সকাল ৯টা পর্যন্ত সবচেয়ে কম পড়েছে কোচবিহার দক্ষিণ আসনে— ১৫.৫৭ শতাংশ। নন্দীগ্রামে ভোট পড়েছে ১৯.১১ শতাংশ। বহরমপুরে ভোট পড়েছে ১৯.৮৮ শতাংশ।
তামিলনাড়ুতে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ১৭.৬৯ শতাংশ।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
সকাল ৯টা পর্যন্ত আলিপুরদুয়ারে ভোট পড়েছে ১৭.৭০ শতাংশ। রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরে। সেখানে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ২০.৫১ শতাংশ। তার পরেই রয়েছে বাঁকুড়া। সেখানে ২০.২০ শতাংশ ভোট পড়েছে। সকাল ৯টা পর্যন্ত রাজ্যে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে মালদহে। সেখানে ভোটের হার ১৬.৯৬ শতাংশ।
সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে ভোট পড়েছে ১৮.৭৬ শতাংশ।