প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুক্রবার পানিহাটির সভায়। ছবি: সংগৃহীত।
বক্তৃতায় স্থানীয় সমস্যার কথা তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। পানিহাটির সভায় তিনি বলেন, “এই শহর আজও ১৫০ বছরের পুরনো নিকাশি ব্যবস্থার উপর বেঁচে আছে। ভিআইপি ও যশোর রোডের যানজট দমদমের দম আটকে দিচ্ছে। হাই কোর্ট বার বার অবৈধ নির্মাণ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। কালিন্দীর পরিস্থিতি বদলেছে নাকি? মধুপুরের মতো এলাকার মানুষ জলকষ্টে ভুগছেন।” এর জন্য রাজ্যের তৃণমূল সরকারকেই দায়ী করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে মধ্যবিত্তকে সুরাহা দেওয়ার কথা এল। তিনি বলেন, “কংগ্রেস সরকারের আমলে এক জিবি ডেটা ৩০০ টাকায় পাওয়া যেত। এখন সেটা ১০ টাকায় পাওয়া যায়। তাই আজ প্রত্যেক মধ্যবিত্তের মাসে ৪-৫ হাজার টাকা বেঁচে যায়।”
গত ১৫ বছরে তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গের শিল্পকে ধ্বংস করেছে! পানিহাটির সভায় এমনই অভিযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
প্রধানমন্ত্রীর কটাক্ষ, তৃণমূল ক্ষমতায় থাকলে রাজ্যের বেকার যুবকরা চাকরি পাবেন না!
জনতার কাছে আশীর্বাদরূপী ভোট চাইলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নেতাজি বলেছিলেন, তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব। আমি বলছি, আপনারা আমাদের ভোটরূপী আশীর্বাদ দিন। কথা দিচ্ছি, তৃণমূলের মহাজঙ্গলরাজ থেকে মুক্তি দেব।”
তৃণমূলকে ‘নারীবিরোধী দল’ বলে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি বলেন, “বাংলার নারীশক্তি নতুন কাহিনি লিখতে চলেছে। তৃণমূল মহিলাদের উপর অনেক অত্যাচার করেছে।৪ তারিখের পর সব অত্যাচারের হিসাব হবে।”
আরজি করে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনার কথা উল্লেখ করে ফের তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। নির্যাতিতার মায়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এই মা মেয়েকে ডাক্তার বানিয়েছিলেন। তৃণমূলের জঙ্গলরাজ সেই মেয়েকে ছিনিয়ে নিয়েছে। আমরা তাঁর মাকে প্রার্থী করেছি।”
মোদী বললেন, “গত কাল ভোট দেখে তৃণমূল নেতারা হতচকিত হয়ে গিয়েছে। তার পর তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে গুন্ডাদের উস্কানি দিচ্ছে। আসলে প্রদীপ নেবার আগে জ্বলে ওঠে। তৃণমূলেরও সেই অবস্থা হয়েছে।”
রাজ্যে যে পরিবর্তনের ঝড় বইছিল, তার প্রথম সিলমোহর পড়েছে বৃহস্পতিবার, প্রথম দফার নির্বাচনে। পানিহাটির সভায় এমনটাই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।