ক্যানিং পশ্চিমের নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায় বুধবার। — নিজস্ব চিত্র।
পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ১ নম্বর ব্লকের নাদনঘাটে তৃণমূলকর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। মৃতের নাম অসিত দেবনাথ। বৃহস্পতিবার দুপুরে এলাকার একটি ক্লাবঘরের ভিতরে তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান স্থানীয়েরা। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই অসিতকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরেও হুমকি দেওয়া হয়। তার পরেই এই মৃত্যু। অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।
বসিরহাটে বিজেপি কর্মী রোহিত রায়কে গুলি করার ঘটনায় ধৃত জাহিনুর গাজীকে নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল পুলিশ। বুধবার রাতে বসিরহাটের গোডাউন পাড়া এলাকায় গুলি করা হয় রোহিতকে। বর্তমানে আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। বুধবার রাতে ওই ঘটনায় ধৃত জাহিনুরকে নিয়ে বৃহস্পতিবার ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে পুলিশ।
বীরভূমের নানুরের বাইতারা গ্রামে উদ্ধার হল ড্রামভর্তি বোমা। বুধবার রাতে গ্রামের একটি খেলার মাঠের পাশে বোমাগুলি পড়ে ছিল। সেগুলি ইতিমধ্যে উদ্ধার করেছে নানুর থানার পুলিশ। বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করতে বম্ব স্কোয়াডকে খবর দেওয়া হয়েছে।
বিজেপির কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ উঠল বাঁকুড়ার সোনামুখীতে। বুধবার রাতে সোনামুখীর নিত্যানন্দপুর এলাকায় বিজেপির একটি দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। ওই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে তৃণমূলের দিকে। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় স্থানীয় থানার পুলিশ।
পুরুলিয়ার জয়পুর বিধানসভা কেন্দ্রের পাটটাড় গ্রামে বিজেপির এক বুথ-সভাপতিকে ‘পরিকল্পিত ভাবে’ খুনের অভিযোগ উঠল। গত মঙ্গলবার সঞ্জয় মাহাতো নামে বিজেপির ওই বুথ-সভাপতির দেহ উদ্ধার হয়। মৃতের দাদা রঞ্জিত মাহাতো বৃহস্পতিবার সকালে বলেন, তাঁর ভাইকে পরিকল্পিত ভাবে খুন করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ইতিমধ্যে দেখা করেছেন জয়পুরের জয়ী বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ মাহাতো।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের গোলাবাড়ি এলাকায় বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাতে। অভিযোগ, আচমকাই বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। ঘটনায় বেশ কয়েক জন বিজেপি কর্মী আহত হন বলে দাবি পদ্মশিবিরের। গোটা ঘটনায় তৃণমূলের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে বিজেপি। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় তৃণমূল শিবির।
মালদহের ইংরেজবাজারে এক বিজেপি সমর্থককে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল। নিহতের নাম কিশান হালদার। পরিবারের দাবি, রাতে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে তাঁকে খুন করা হয়েছে। হাসুয়া দিয়ে কিশানকে কোপানো হয়েছে বলে অভিযোগ। যদিও ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। স্থানীয় সিপিএম নেতা বাচ্চু মণ্ডলের দাবি, নেশা ও জুয়া খেলা ঘিরে গন্ডগোলের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে।