Humayun Kabir

হুমায়ুনের ভিডিয়ো-বিতর্কের মধ্যে দল ছাড়লেন রাজ্য সভাপতি! কোষাধ্যক্ষের পদত্যাগে বিপাকে বাবরি মসজিদ ট্রাস্টও

হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বিজেপির ‘গোপন আঁতাঁত’-এর অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আনে তৃণমূল। তাতে শোনা যায়, বিজেপির কাছে এক হাজার কোটি টাকা চেয়েছেন তিনি। ২০০ কোটি টাকা অবিলম্বে দেওয়ার কথা বলেছেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ এপ্রিল ২০২৬ ২০:০৮
Share:

১৯ মিনিটের ভিডিয়ো ছড়াতেই একের পর এক দুঃসংবাদ পাচ্ছেন হুমায়ুন কবীর। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

হুমায়ুন কবীরের ১৯ মিনিটের ভিডিয়ো নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে আলোড়ন। নানা প্রশ্নের মুখে তৃণমূলের বহিষ্কৃত বিধায়ক তথা আম জনতা উন্নয়ন পার্টির (এজেইউপি) প্রতিষ্ঠাতা। ইতিমধ্যে তাঁর দলের সঙ্গে জোট ছিন্ন করেছে আসাদউদ্দিন ওয়েইসির ‘মিম’। এর মাঝে চেয়ারম্যান হুমায়ুনকে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির রাজ্য সভাপতি খোবায়েব আমিন। তিনি হুমায়ুন বাবরি মসজিদ নির্মাণে গঠিত ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষও ছিলেন। সেই পদও ছে়ড়ে দিয়েছেন বলে খবর।

Advertisement

হুমায়ুনের সঙ্গে বিজেপির ‘গোপন আঁতাঁত’-এর অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আনে তৃণমূল। তাতে শোনা যায়, বিজেপির কাছে এক হাজার কোটি টাকা চেয়েছেন তিনি। ২০০ কোটি টাকা অবিলম্বে দেওয়ার কথা বলেছেন। বিনিময়ে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীকে পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাসও ভিডিয়োতে দিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে (ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)। হুমায়ুন অবশ্য ওই ভিডিয়ো এআই-এর কারসাজি বলে দাবি করে হাই কোর্টে মামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এই আবহে তাঁর দলের রাজ্য সভাপতির পদত্যাগ ‘তাৎপর্যপূর্ণ’।

ইস্তফাপত্রে খোবায়েব অবশ্য ওই সব কোনও কথা উল্লেখ করেননি। তিনি জানিয়েছেন, এক জন পীরজাদা হিসাবে এবং ফাউন্ডেশনের সম্পাদক হিসেবে সমাজের প্রতি তিনি দায়বদ্ধ। সক্রিয় রাজনীতিতে সময় দিতে গিয়ে সেই কাজগুলি ব্যাহত হচ্ছিল। তাই চিন্তাভাবনা করে রাজনীতি থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, “দলের সভাপতি হিসাবে কাজ করা আমার কাছে সম্মানের ছিল। আমি আমার সকল সহকর্মীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।”

Advertisement

অন্য দিকে, ফাঁস হওয়া ভিডিয়ো ‘বানানো’ বলে দাবি করে শুক্রবার নারদকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনেছেন হুমায়ুন। তিনি বলেছেন, “ববি হাকিম, সৌগত রায়দের টাকা নিতে দেখা গিয়েছিল। ওই স্টিং অপারেশনের কী সুরাহা হল?” যদিও দলের রাজ্য সভাপতির ইস্তফা নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করেননি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement