(বাঁ দিকে) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু অধিকারী (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।
ষষ্ঠ রাউন্ড গণনার শেষে ভবানীপুরে শুভেন্দুর প্রাপ্ত ভোট ১১,১৫৫। মমতার প্রাপ্ত ভোট ৩০,৫৪৮। ব্যবধান ১৯,৩৯৩।
ভবানীপুরে মমতার ব্যবধান বাড়ল। পঞ্চম রাউন্ড গণনার শেষে তিনি ২৫৯৪২ ভোট পেয়েছেন। শুভেন্দুর ঝুলিতে আপাতত ৯২৩৬ ভোট।
চতুর্থ রাউন্ড গণনার শেষে ভবানীপুরে আট হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে মমতা। তিনি পেয়েছেন ১৭২৪৪ ভোট। শুভেন্দু পেয়েছেন ৮৭৬২ ভোট।
শুভেন্দু অধিকারী সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে গণনাকেন্দ্রে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে নিজাম প্যালেসে দফতরে ফিরেছেন।
ভোটগণনা নিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘‘অল্প ইভিএম গোনা হয়েছে। এটাকে বড় কিছু করে দেখানো ঠিক না। প্রাথমিক ভাবে আমার যে পর্যবেক্ষণ, হিন্দু ইভিএম বিজেপির, মুসলিম ইভিএম তৃণমূলের। তবে তা-ও আগের মতো নয়। ২০২১ এবং ২০২৪-এর মতো ভোট একত্রিত করতে পারেননি। মালদহে, মুর্শিদাবাদের বহু সিটে, উত্তর দিনাজপুরেও করণদিঘি বা অন্য জায়গায় প্রাথমিক ভাবে মুসলিম বেল্টে কংগ্রেস কোনও কোনও ইভিএমে ভাল ভোট পেয়েছে।’’
নন্দীগ্রাম নিয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘‘নন্দীগ্রামের প্রথম রাউন্ড আমি পেয়ে গিয়েছি। ৩০০০ লিড পেয়েছি। সরকার বিজেপি গড়ছে, এটা ধরে নিয়ে চলুন। আমার আশা ছিল ১১০০ পাব। তিন গুণ বেশি পেয়েছি। ভবানীপুরে টক্কর হবে। প্রথম রাউন্ডে ১৪টি বুথ মুসলিমপ্রবণ। আটটি হিন্দু বুথে আমার লিড আছে। ভবানীপুরে ৯-১০ রাউন্ড থেকে দেখবেন, আমি অনেক এগিয়ে যাব। ১০ রাউন্ডের পর আমাকে হারানো মুশকিল হয়ে যাবে। প্রাথমিক আভাসে আমরা দেখে নিয়েছি স্থিতাবস্থা বিরোধিতা আছে এবং হিন্দুরা পদ্মের পক্ষে আছে। এটা আমাদের জন্য খুব ভাল ইঙ্গিত।’’
ভবানীপুরে পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে ছিলেন মমতা। পরে তিনি ১৫৫৮ ভোটে ভোটে পিছিয়ে পড়েন। শুভেন্দু এগিয়ে গিয়েছিলেন। ফের মমতা এগিয়ে গিয়েছেন।