ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
আধুনিক মানুষের জীবন মাটির বুকে জমিয়ে রাখা খনিজ তেলের উপরই নির্ভরশীল। প্রায় কোনও উন্নয়নই এই তেল ছাড়া সম্ভব নয়। সেই তেল পরিশোধন করা হয় তৈল শোধনাগারে। সেখানে পণ্য উৎপাদন থেকে শুরু সামগ্রীর গুণমান যাচাই করা পর্যন্ত সব বিভাগেই নানা পদে কর্মী নিয়োগ করা হয়ে থাকে।
এ দেশে মোট তৈল শোধনাগারের সংখ্যা ২০। ওই সব কেন্দ্র থেকে বার্ষিক ২৫ লক্ষ মেট্রিক টন তৈল পরিশোধন করা হয়ে থাকে। গুজরাতের জামনগর থেকে শুরু করে অসমের ডিগবয় পর্যন্ত এমন সরকারি ও বেসরকারি তৈলশোধনাগারে নিয়মিত ভাবে কর্মী নিয়োগ করা হয়ে থাকে। সেখানে কারা কোন বিভাগে চাকরির সুযোগ পান, রইল বিশদ তথ্য—
কী ধরনের কাজ করা হয়?
অপরিশোধিত খনিজ তেল পরিশোধন করেই ব্যবহারযোগ্য করা হয়। সেখান থেকেই পেট্রল, ডিজেল, কেরোসিন, এলপিজি, ন্যাপথা, বিটুমিন-র মতো পণ্য উৎপাদন করা হয়ে থাকে। এ ছাড়াও সার, প্লাস্টিক, আলকাতরা, সিন্থেটিক রবার, লুব্রিক্যান্ট, প্যারাফিন-সহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর কাঁচামালও প্রস্তুত করা হয়ে থাকে।
কারা কোন বিভাগে চাকরি পেতে পারেন?
ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
কী ভাবে নিয়োগ করা হয়?
টেকনিক্যাল পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্কিল টেস্ট এবং ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই করা হয়। নন-টেকনিক্যাল পদের ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষা কিংবা ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমেই সরাসরি নিয়োগ করা হয়ে থাকে।
প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা আবশ্যক:
তেল পরিশোধনের কাজে মূলত যাঁদের নিয়োগ করা হয়ে থাকে, তাঁদের শারীরিক ভাবে সক্ষম হওয়া আবশ্যক। পাশাপাশি, তাঁদের বেশ কিছু বিষয়ে সাবধানতাও অবলম্বন করে হয়। এ জন্য আলাদা করে বিভিন্ন তৈল শোধনাগারের তরফে হাতেকলমে কাজ শেখানো হয়ে থাকে। এ ছাড়াও বর্তমানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তরফে স্নাতক কিংবা স্নাতকোত্তর স্তরের পড়াশোনার সঙ্গেই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।
কোথায় কাজের সুযোগ?
ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড, ভারত পেট্রোলিয়াম, হিন্দুস্থান পেট্রোলিয়াম, অয়েল অ্যান্ড ন্যাচরাল গ্যাস কর্পোরেশন-এর মতো রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় নিয়মিত কর্মী নিয়োগ করা হয়ে থাকে। এ ছাড়াও বেসরকারি তৈল শোধনাগারেও স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর যোগ্যতা সম্পন্নদের কাজের সুযোগ দেওয়া হয়।