ধর্ম নিয়ে রাজনীতি কেন হচ্ছে? জানালেন ভরত কল। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
ভরত কল: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! আর কে আছেন?
ভরত: আমি দল দেখে ভোট দিই।
ভরত: দেখুন ভাল কাজ করার জন্য না কোনও ট্রেনিং লাগে না। মানসিকতাটাই জরুরি। তবে আমার মতে প্রার্থী তাঁরই হওয়া উচিত যিনি নিঃস্বার্থ ভাবে মানুষের কাজ করবেন। সেটাই একটা মানদণ্ড হতে পারে।
ভরত: পরিষেবা দিতাম। নিজের এলাকার স্কুলের উন্নতি করতাম। স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে যাতে সব রকম সুযোগ সুবিধা থাকে, তার ব্যবস্থা করতাম। রাস্তাঘাট ভাল করতাম।
ভরত: শিল্পীরা কষ্টে আছেন। যে শিল্পীরা রাজনীতিতে গিয়েছেন, দেব, সায়নী, রচনা, জুন— এঁরা শিল্পীদের জন্য অনেক কিছু করতে পারেন। আবাসনের ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড যাতে গৃহীত হয়, তার ব্যবস্থা যদি করা যায় তো ভাল হয়।
ভরত: দুর্নীতি সামলানোর মেশিনারি তো কেন্দ্রের হাতেই আছে। পরশু দিনও দেখলাম র্যাফ মার্চ করছে। কেন করছে জানি না। প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনীও রয়েছে। তারা থাকা সত্ত্বেও যদি দুর্নীতি হয়, তবে বলব সেটা দুর্ভাগ্যজনক।
ভরত: ক্ষমতার জন্য নেতাদের কেনাবেচা বরাবর হয়ে আসছে। বেশির ভাগ নেতারও নীতিগত মান পড়ে গিয়েছে। এঁদের আটকাবেন কী করে? তবে যদি নিয়ম হত, দল বদলালে দু’বার ভোটে দাঁড়ানো যাবে না, তা হলে অবস্থা পাল্টাতে পারত।
ভরত: ২০১৪-র পর থেকে ধর্ম নিয়েই রাজনীতি হচ্ছে। কেউ উন্নয়নের কথা বলছে না। বেকারত্বের কথা বলছে না। শিল্পের কথা বলছে না। তাই ঘৃণাভাষণই বাড়ছে। কিন্তু এটা ছাড়াও রাজনীতি হতে পারে।
ভরত: মানুষকে কাজ দিন। শিল্প আনুন। তা হলেই দেখবেন সব হয়ে যাবে। তা হলেই আর ধর্মীয় ভেদাভেদ, হিন্দু-মুসলিম, জাতপাত করার দরকার পড়বে না।
ভরত: উন্নতি হয় কি না জানি না। তবে ভাতা টিকে থাকতে সাহায্য করে।
ভরত: একচ্ছত্রতা কখনওই সাফল্য দিতে পারে না। সেখানে ফ্যাসিবাদ চলে আসে। সেটা হলে বুঝতে হবে শেষ আসন্ন। তাই সরকারের ভালর জন্যই বিরোধীদের শক্তিশালী হওয়া উচিত।
ভরত: সবাই দেব নয় যে, লোকে মুখ দেখেই ভোট দেবে। দেব হল সুপারস্টার। কিন্তু জুন তো খেটেছে। নিজের এলাকার কাজ করেছে। কাজ না করলে তারকারাও ভোট পাবে না। এ ব্যাপারে আদর্শ হতে পারেন সুনীল দত্ত। তিনি রাজনীতিতে এসে মানুষের জন্য অনেক কাজ করেছেন।
ভরত: ইন্দিরা গান্ধীর উপরে আমার কাছে কেউ নেই। লাল বাহাদুর শাস্ত্রী, জওহরলাল নেহরু। ভারত যে একটা জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে, তার শিরদাঁড়া তো তাঁরাই। এ ছাড়া, বাংলায় আমার পছন্দের রাজনীতিবিদ দিদি।