Kiss Day 2026

ছবিতে চুম্বন শুধুই অভিনয়? কোনও অনুভূতিই কি নেই সেখানে! চুম্বনদিবসে মন খুললেন পরমব্রত-ইশা

‘কিস ডে’ মানেই ‘ঠোঁটে ঠোঁট রেখে ব্যারিকেড’-এর দিন। ভালবাসার চোরা স্রোতে গা ভাসানোর দিন। দুই তারকার ‘চুমুকাহিনি’ কেমন?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:১৩
Share:

চুম্বন নিয়ে অনর্গল পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, ইশা সাহা। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

গোলাপ, টেডি, চকোলেট, আলিঙ্গন পর্ব শেষ। ১৩ ফেব্রুয়ারি ঠোঁটে ঠোঁট ডুবিয়ে ‘ভালবাসি’ বলার দিন। শহরের অনেক যুগলই হয়তো এ দিন নিরালা খুঁজছেন। নিজেদের মতো করে নিজেদের খুঁজে পেতে।

Advertisement

রুপোলি পর্দার তারকাদের জীবনেও কি বিশেষ দিন ‘বিশেষ’ কোনও প্রভাব ফেলে? না কি শুধুই স্মৃতিপথে হাঁটেন, ফিরে দেখেন মনে রাখার মতো কোনও একটি মুহূর্ত? হতে পারে সেটি পর্দার। হতেও পারে বাস্তব জীবনের...।

প্রেম দিবসের আগের দিন হঠাৎ করেই ভাইরাল পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়-ইশা সাহার চুম্বনদৃশ্য! সৌজন্যে ২০২৩ সালের ছবি ‘ঘরে ফেরার গান’।

Advertisement

পর্দায়, চিত্রনাট্যের খাতিরে চুম্বনদৃশ্যে তাঁরা একাধিক বার অভিনয় করেছেন। পরমব্রতই যেমন কখনও ঠোঁটে ঠোঁট রেখেছেন রাইমা সেনের। কখনও প্রিয়াঙ্কা সরকারের। ছবিতে চুম্বন শুধুই অভিনয়? কোনও অনুভূতিই কি নেই সেখানে! প্রশ্ন ছিল আনন্দবাজার ডট কম-এর। যে কোনও বিষয়েই বরাবর সোজাসাপটা পরমব্রত। এ দিনও ব্যতিক্রম ঘটেনি। অভিনেতার সাফ জবাব, “পর্দায় চুমু খাওয়াটাকে আমি অভিনয়ের অঙ্গ হিসেবে মনে করি। যে কোনও একটিকে তাই ‘মেমোরেবল’ বললে ব্যাপারটিকে অকারণ নাটকীয় করে তোলা হবে।”

পাশাপাশি, তিনি ভাগ করে নিয়েছেন পর্দার প্রথম চুম্বনদৃশ্যের কথা। পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘দোসর’। সেখানে তিনি আর পল্লবী চট্টোপাধ্যায় ক্যামেরার মুখোমুখি। বয়সে অনেকটাই বড় অভিনেত্রীর ঠোঁটে ঠোঁট রাখতে হবে অভিনেতাকে। পরমব্রতের কথায়, “তবে হ্যাঁ, প্রথমবারটা খুব নার্ভাস ছিলাম। ‘দোসর’ ছবিতে অনেক ‘সিনিয়র’ পল্লবীদির সঙ্গে...। এটুকুই বলব।”

Advertisement

ইশা অবশ্য পর্দায় খুব বেশি চুম্বনদৃশ্যে অভিনয় করেননি। প্রসঙ্গ তুলতেই শুরুতে এ কথা বলে নিলেন নায়িকা। বলতে বলতে ফোনের ও পারে তাঁর কণ্ঠে লজ্জার আভাস। হাসতে হাসতে বললেন, “এই বিষয় নিয়ে এ ভাবে কথা বলা যায়? ব্যক্তিগত কথা কারও সঙ্গে ভাগ করে নেব না। এ বিষয়ে উত্তর দেওয়া আমার পক্ষে সত্যিই অসম্ভব।” তবে পর্দায় অভিনয়প্রসঙ্গে তিনিও পরমব্রতের মতেই বিশ্বাসী। তাঁর কথায়, “পর্দায় আমাদের দেখে লোকজন ভাবতেই পারেন, আমরা বুঝি খুব প্যাশনেটলি চুমু খেয়েছি। আদতে ওটা ও রকম হয় না। এর পিছনে প্রযুক্তির অনেক কারিকুরি থাকে। খুব চাপে থাকেন অভিনেতারা। অন্তত আমি তো থাকিই।”

তবে প্রথম চুম্বনের কথা একেবারে গোপন করেননি ইশা। যৌবনে পা রেখেছেন। কলেজবেলা তাঁর। “কৈশোর নয়, সম্ভবত কলেজবেলায় আমার প্রথম চুম্বন”, বলেছেন তিনি। প্রথম প্রেমের মতোই কি প্রথম চুম্বন অবিস্মরণীয়, সেরা স্মৃতি? “আমার মনে হয় না। যে স্মৃতি মধুর সেই স্মৃতিই মনে থেকে যায়। চুম্বনের ক্ষেত্রেও...। প্রথম মানেই মনে থাকবে, প্রথম মানেই সেটা আজীবন মনে থাকবে— এই মতে আমি বিশ্বাসী নই।” বিদেশে বাস্তবে বা পর্দায় চুম্বন নিয়ে কোনও ছুতমার্গ নেই। এ দেশে এখনও প্রকাশ্যে চুম্বন দেখলে অনেকে ‘গেল গেল’ রব তোলেন। যেমন, বছর দুই আগের কথা। কলকাতার চলন্ত মেট্রোয় এক যুগলের প্রকাশ্যে চুম্বন নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল শহর।

ইশাও কি মনে করেন, কিছু অনুভূতির উপরে আড়াল থাকাই ভাল? অভিনেত্রীর মতে, “পর্দায় কী হবে না হবে, সেটা চিত্রনাট্য এবং অভিনেতাদের উপর নির্ভর করে। ব্যক্তিগত জীবনে কিছু অনুভূতির উপরে আড়াল থাকাই ভাল। অন্তত আমি মনে করি।” পরক্ষণেই এ-ও জানিয়েছেন, অনুভূতির উপরে সব সময় লাগাম পরানো যায় না। তাই কখন, কোন পরিস্থিতিতে, কোন অনুভূতি প্রকাশ্যে চলে আসবে, একেবারেই জানেন না তিনি। তাই যাঁরা প্রকাশ্যে তাঁদের অনুভূতি প্রকাশ করেন, ইশার মতে, সেটা পুরোটাই তাঁদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে তিনি নিজের যাবতীয় অনুভূতি গোপন রাখার পক্ষপাতী।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement