Nondinii And Sourav

বলিউডে কাজ করতে করতেই বাংলা ছবিতে নন্দিনী! সুস্মিতা সেনের আদলে গড়া চরিত্রে দেখা যাবে?

নন্দিনী জানিয়েছেন, আরও আগেই এই ধরনের চরিত্র পাওয়া উচিত ছিল তাঁর। তিনিই সন্তানদের বড় করবেন বলে একের পর এক ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ মার্চ ২০২৬ ১৪:১০
Share:

নন্দিনী চট্টোপাধ্যায় সুস্মিতা সেনের আদলে গড়া চরিত্রে? ছবি: ফেসবুক।

বলিউডে শূন্য থেকে শুরু করেছেন। সদ্য জাতীয় স্তরের একটি হিন্দি ধারাবাহিকে অভিনয় করলেন। সেই কাজ শেষ। নন্দিনী চট্টোপাধ্যায় এক ফাঁকে শুটিং সেরে গেলেন মৈনাক ভৌমিকের ‘মেড ইন কলকাতা’ ছবির। খবর, ছবিতে তিনি অধ্যাপকের চরিত্রে। তাঁর চরিত্রে নাকি ‘ম্যায় হুঁ না’ ছবির সুস্মিতা সেন অভিনীত চরিত্রের ছায়া!

Advertisement

মৈনাকের ছবিতে বরাবর কলকাতার বড় ভূমিকা। পরিচালক কখনও নিজের শহর ছেড়ে অন্যত্র শুটিং করেন না। তাঁর প্রিয় শহরের আধুনিক রূপ এবং এই প্রজন্মের জীবন তিনি ছবিতে তুলে ধরছেন। শোনা যাচ্ছে, সেখানেই অধ্যাপকের চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রীকে। এ-ও শোনা গিয়েছে, ‘ম্যায় হুঁ না’ ছবিতে আকর্ষণীয় সুস্মিতাকে দেখে তাঁর ছাত্ররা যেমন মুগ্ধ হতেন, এই ছবিতে সে রকমই নাকি নন্দিনী।

এখানেই শেষ নয়। নন্দিনী নাকি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মা নিরূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের চরিত্রের জন্যও অডিশন দিয়েছিলেন! যদিও অপরাজিতা আঢ্য এই চরিত্রের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

Advertisement

সবিস্তার জানতে আনন্দবাজার ডট কম যোগাযোগ করেছিল নন্দিনীর সঙ্গে। তিনি অবশ্য এ বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ। তবে মৈনাকের ‘মেড ইন কলকাতা’ প্রসঙ্গে বলেছেন, “এই ধরনের চরিত্র আমার আরও আগে পাওয়ার কথা ছিল। সেটা পাইনি। একদম অন্য রকমের চরিত্র। কাজ করে মন ভরে গিয়েছে।” কেন অন্য রকমের চরিত্র পেতে এত অপেক্ষা করতে হল তাঁকে? জবাবে নন্দিনী কাউকে দোষারোপ করেননি। বরং দোষ দিয়েছেন নিজেকে। তাঁর কথায়, “একা মা আমি। সন্তানদের বড় করে তুলতে অর্থের প্রয়োজন। তার জন্য একের পর এক ধারাবাহিক করে গিয়েছি। কী চরিত্র পাচ্ছি বা ভাল ছবিতে কাজ করতে হবে— এ সব ভেবে দেখার সময় বা পরিস্থিতি ছিল না।”

একই সঙ্গে নন্দিনী দায়ী করেছেন নিজের খারাপ জনসংযোগকেও। অভিনেত্রী বলেছেন, “বলিউডে পোর্টফোলিও নিয়ে প্রযোজক-পরিচালক বা অভিনেতা নির্বাচকদের কাছে যাচ্ছি। ওঁরা দেখেই বলছেন, এত দিন কাজ করেও জনসংযোগ বানাতে পারেননি! আফসোস, এই কাজটাই যদি কেরিয়ারের শুরু থেকে করতে পারতাম, তা হলে এত পিছিয়ে থাকতে হত না।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement