Payel De

যাঁদের বন্ধু ভেবেছিলাম, তাঁরাই বেশি আলোচনা করেছে! বোকা ছিলাম, অনেক শিক্ষা পেয়েছি: পায়েল

অভিনেত্রী কাজের বাইরে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে একটি বাড়তি শব্দও খরচ করতে রাজি নন। পায়েল বললেন, “এই এপ্রিল এলে আমার অভিনয়জীবনের ২০ বছর পূর্ণ হবে। বহু ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছি।” আর কী বললেন?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:০৩
Share:

২০ বছরের অভিনয় জীবনের কোন অভিজ্ঞতা শোনালেন অভিনেত্রী পায়েল দে? ছবি: সংগৃহীত।

সম্প্রতি রাজনন্দিনী চরিত্রে তাঁকে দেখেছে দর্শক। ছোটপর্দায় অভিনেত্রী পায়েল দে-কে মুখ্য চরিত্রে দেখতেই অভ্যস্ত অনুরাগীরা। কিন্তু শুধু নায়িকা নন, পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের ক্ষেত্রেও তাঁর সমান আগ্রহ। ‘ক্যুইন্‌স’ ওয়েব সিরিজ়ে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। যদিও ইদানীং অভিনেত্রীর কাজের থেকে বেশি আলোচনা হয় ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে। এমনকি তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের জল্পনাও শোনা যায়।

Advertisement

অভিনেত্রী যদিও কাজের বাইরে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে একটি বাড়তি শব্দও খরচ করতে রাজি নন। বললেন, “এই এপ্রিল এলে আমার অভিনয়জীবনের ২০ বছর পূর্ণ হবে। বহু ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছি। আগে কিন্তু মূলত কাজ, চরিত্র নিয়েই আলোচনা হত। আর নিজের সন্তান, পরিবার নিয়ে আমি ভাল আছি এটা কেন বাইরে জাহির করতে যাব?”

এই মুহূর্তে নির্ঝর মিত্রের ‘ক্যুইন্‌স’-এর শুটিং চলছে অভিনেত্রীর। ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিকে অতিথিশিল্পী হিসাবে যত দিন অভিনয় করার কথা ছিল, তা হয়ে গিয়েছে। আগামী দিনে আবার ওই চরিত্রের জন্য তাঁর প্রয়োজন হবে কি না, তা এখনই বলতে পারছেন না অভিনেত্রী। তবে ২০ বছরের অভিনয়জীবনে পায়েল এক অন্য অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন। এত বছরের কর্মজীবনে হাতেগোনা বন্ধু পেয়েছেন। বিশেষত তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যখন আলোচনা হচ্ছে, তখন আরও বেশি করে বুঝেছেন— কে বন্ধু আর কে নয়?

Advertisement

পায়েল বললেন, “কাজের জন্য আমি পরিচিতি পেয়েছি। সেখানে আমার পরিবারকে টানার কোনও মানে নেই। আর আমি এক জন আলাদা মানুষ। গোগোল (পায়েলের স্বামী দ্বৈপায়ন দাস) এক জন আলাদা মানুষ। ব্যক্তিগত জীবনে আমরা স্বামী-স্ত্রী। কিন্তু পেশাদার জীবনে তো দু’জনে একে বারে ভিন্ন। এটা গুলিয়ে ফেললে মুশকিল।” নিজের ভাল থাকাই গুরুত্বপূর্ণ পায়েলের কাছে। পায়েল যোগ করেন, “এই পর্যায়ে আমি দেখলাম তাঁরাই আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বেশি আলোচনা করেছেন, যাঁদের আমি ‘বন্ধু’ বলে ভাবতাম। তাঁরাই গসিপ করে আনন্দ পাচ্ছেন। এতে আমার আপত্তি নেই। কারণ, আমি ছেলে-পরিবার নিয়ে সুখে আছি।”

পায়েল জানান, করোনা পরিস্থিতি তাঁকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। অভিনেত্রী বলেন, “আমাকে হয়তো খুব নরম মনে হয় দেখলে, কিন্তু ধাক্কা খেতে খেতে ভিতর থেকে আমি এখন অনেক কঠিন। বোকা ছিলাম। করোনা পরিস্থিতি আমাকে মানুষ চিনতে শিখিয়েছে। খারাপ পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে শিখিয়েছে।” তাই পেশাজীবনের সঙ্গে ব্যক্তিজীবনকে গুলিয়ে ফেলতে রাজি নন অভিনেত্রী। বরং চারিদিকে আলোচনার মাঝে নিজের পছন্দমতো চরিত্র বাছাই করে পর্দায় নতুন ভাবে আসতে চান। সেই প্রস্তুতিও চলছে। সিরিজ়ের শুটিং শেষ হওয়ার পরে নতুন ভাবে তাঁকে দেখার অপেক্ষায় দর্শক।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement