স্বামী আন্দ্রের সঙ্গে শ্রিয়া। ছবি: সংগৃহীত।
সন্তানধারণের সময়ে মহিলাদের শরীরে নানা বদল আসে। মানসিক পরিবর্তনও আসে বহু। নানা রকমের যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। কিন্তু পুরুষদের ঠিক কী হয়? স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা হলে তাঁদের মধ্যে ঠিক কী পরিস্থিতি তৈরি হয়? মুখ খুললেন শ্রিয়া সরন।
সন্তানধারণের সময়ে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। মানসিক ও শারীরিক ভাবে কী কী বদল এসেছিল তাঁর? শ্রিয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “মহিলারা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তাঁদের শরীরে অনেক কিছু চলতে থাকে। একটা সন্তানকে নিজের শরীরে তৈরি করা, এ এক অসাধারণ অনুভূতি। কিন্তু শারীরিক ও মানসিক ভাবে নানা পরিবর্তন আসে। শরীরের অঙ্গপ্রতঙ্গ সঙ্কুচিত হয়ে আসে। মাঝেমধ্যেই পাগলের মতো আবেগের প্রকাশ হয় এই সময়ে।” হাসতে হাসতে শ্রিয়া আরও বলেন, “একটা বাচ্চাকে নিজের শরীরে মধ্যে রেখে হাঁটাচলা করতে হয়। মনে হয় যেন শরীরটাই অন্য কারও। অবশেষে গরুর মতো অনুভূতি হতে থাকে।”
এই সময়ে সঙ্গীর পাশে থাকা খুব জরুরি বলে মনে করেন তিনি। তবে পুরুষদেরও বেশ কিছু মানসিক পরিবর্তন আসে। বিশেষ করে যে পুরুষেরা সন্তানের জন্য প্রস্তুত থাকেন না, তাঁদের নানা সমস্যা হয়। অভিনেত্রীর কথায়, “আমি যখন অন্তঃসত্ত্বা ছিলাম, খুব মন খারাপ করত। মনে হত আমার সঙ্গী যেন সব সময়ে আমার সঙ্গে থাকে।”
শ্রিয়া তাঁর সহঅভিনেতা নকুল মেহতা ও দানিশ সৈতের কথাও বলেছেন। শ্রিয়ার কথায়, “দানিশ ছবির শুটিং-এর জন্য ঠিক সময় দিতে পারত না। জানি, ওর মধ্যে অপরাধবোধ কাজ করত। শুটিং চলাকালীন, নকুলের স্ত্রীও দ্বিতীয় বারের জন্য অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তা হলেই ভাবুন সেই সময়ে জানকীর (নকুলের স্ত্রী) কী অবস্থা হয়েছিল। একটা বাচ্চা রয়েছে। তাকে সামলাতে হচ্ছে। সেই সঙ্গে গর্ভে আর এক সন্তান। শুটিং সেটে তাই খুব অন্যমনস্ক থাকত নকুল। বুঝতে পারতাম, মানসিক ভাবে ও ঠিক নেই।”