জন্মদিনে মনখারাপ সৌমিতৃষা কুন্ডুর। ছবি: ফেসবুক।
বেশ কিছু দিন ধরেই ফোনে তাঁকে পাওয়া যাচ্ছিল না। হয় ফোন ব্যস্ত, নয় বেজে গিয়েছে। মঙ্গলবার সৌমিতৃষা কুন্ডুর জন্মদিন। এ দিন তিনি আনন্দবাজার ডট কম-কে জানালেন, পরিবারে দুর্ঘটনা ঘটে গিয়েছে। তা-ই নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন। ফোনে সাড়া দিতে পারেননি। এ বারের জন্মদিন তাই বৃন্দাবনহীন।
প্রতি বছরের জন্মদিন বৃন্দাবনেই কাটান সৌমিতৃষা। সেইমতো এ বারেও ট্রেনের টিকিট, হোটেল বুকিং হয়ে গিয়েছিল। জন্মদিনে কী ভাবে সাজাবেন নিজেকে, পোশাকও কেনা হয়ে গিয়েছিল তাঁর। হঠাৎই তার আগে মাসির কাঁধের হাড় ভেঙে যায়। অস্ত্রোপচার করে প্লেট বসান চিকিৎসক। শিবরাত্রির পরের দিন নিজের বোনকে দেখতে যাচ্ছিলেন অভিনেত্রীর মা। আচমকা একটি গাড়ি এসে ধাক্কা মারে তাঁদের গাড়িতে। তড়িঘড়ি নামতে গিয়ে পড়ে যান সৌমিতৃষার মা। পায়ের আঙুলের হাড় ভাঙে তাঁর। চিকিৎসক তাঁকে পুরোপুরি বিশ্রামে থাকতে বলেছেন। খুব প্রয়োজন না পড়লে বিছানা থেকে ওঠানামা বারণ তাঁর।
হাসপাতালে চার রাত জেগে কাটিয়েছেন। সৌমিতৃষার আফসোস, “অদ্ভুত ভাবে এ বছরটা আমরা আটকে গিয়েছি। তার পরেও ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাব। মা যখন পড়ে গিয়েছিল, তখন উল্টো দিক থেকে গাড়ি এসে মাকে ধাক্কা মারতে পারত। আমারও চোট লাগতে পারত। সে সব কিছুই হয়নি।” আপাতত তাঁর মা এবং মাসি বিপন্মুক্ত। তাই সৌমিতৃষা ভেবেছিলেন, এ বছর একাই যাওয়ার চেষ্টা করবেন। সেই ইচ্ছাতেও বাধা! বিশেষ কারণে তিনি যেতে পারলেন না।
বদলে সোমবার মধ্যরাতে নিরামিষ কেক কেটেছেন। জন্মদিনেও নিরামিষ খাচ্ছেন অভিনেত্রী এবং তাঁর পরিবার। “রাতে আত্মীয়, বন্ধুরা আসবে। সবাইকে নিয়ে খাওয়াদাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। তবে যত ক্ষণ সেটা পূরণ না হচ্ছে, বিশ্বাস নেই”, বক্তব্য সৌমিতৃষার।