Director Aditya Dhar In Trouble?

নিয়ম ভাঙার অভিযোগ! ‘ধুরন্ধর ২’-এর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত? বন্ধের মুখে আদিত্যের প্রযোজনা সংস্থা

বৃহন্মুম্বই পুরসভার কোপে পরিচালক আদিত্য ধর! তাঁর বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ। খবর, পুরসভার একের পর এক নিয়ম ভাঙার কারণেই নাকি কোপের শিকার তিনি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:০৩
Share:

বিপদে রণবীর সিংহ, পরিচালক আদিত্য ধর? ছবি: ফেসবুক।

বিতর্কে রণবীর সিংহের ‘ধুরন্ধর ২’। খবর, বৃহন্মুম্বই পুরসভার কোপে পরিচালক আদিত্য ধর! তাঁর বিরুদ্ধে এক গুচ্ছ অভিযোগ। খবর, পুরসভার একের পর এক নিয়ম ভাঙার কারণেই নাকি কোপের শিকার তিনি। যার জেরে ‘ব্ল্যাক লিস্টেড’ হতে পারে তাঁর প্রযোজনা সংস্থা ‘বি৬২ স্টুডিয়ো’।

Advertisement

গুঞ্জন, খবর ছড়াতেই নাকি মুখ শুকিয়েছে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ ছবির সঙ্গে যুক্ত কমবেশি প্রত্যেকের। শোনা যাচ্ছে, বৃহন্মুম্বই পুরসভার কোপে নাকি অনিশ্চিত হতে পারে ছবিমুক্তির ভবিষ্যৎ।

কেন কোপের শিকার আদিত্য? পুরসভা থেকে সংবাদমাধ্যমকে জানানো হয়েছে, একটি বহুতলের ছাদে শুটিং করা হচ্ছে এবং নির্দিষ্ট অনুমোদন ছাড়াই নাকি সেখানে দু’টি জেনারেটর ভ্যান ব্যবহার করা হচ্ছে। সেখান থেকেই সমস্যার সূত্রপাত। যার জেরে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা ধার্য করা হয় প্রযোজনা সংস্থাকে। পাশাপাশি, বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে আবেদনকারীর জমা দেওয়া ২৫ হাজার টাকার ‘সিকিউরিটি ডিপোজ়িট’। প্রসঙ্গত, গত ৩০ জানুয়ারি মহারাষ্ট্র ফিল্ম, স্টেজ অ্যান্ড কালচারাল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেডের তরফে ৭ এবং ৮ ফেব্রুয়ারি মোদী স্ট্রিট এবং পেরিন নরিমান স্ট্রিটের মধ্যবর্তী অঞ্চলে শুটিংয়ের অনুমতি দেওয়া হয় প্রযোজনা সংস্থাকে। সংগঠনের পক্ষ থেকে পরে দাবি করা হয়েছে, প্রযোজনা সংস্থা পুলিশি শর্ত না মেনে শুটিংয়ের সময় একাধিক দাহ্যবস্তু ব্যবহার করেছিল। শুটিংস্থলে এগুলির ব্যবহার নিষিদ্ধ ছিল বলেই খবর।

Advertisement

সূত্রের খবর, এই অভিযোগের পরে প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে জনৈক কোমল পোখরিয়াল ১৩ এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ফের শুটিংয়ের অনুমতি চেয়ে পরবর্তী আবেদন জমা দেন। তবে পূর্ববর্তী নিয়মভঙ্গের কথা উল্লেখ করে কর্তৃপক্ষ সেই অনুরোধ বাতিল করেন। এর পর ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১২টা থেকে ভোর ৪টের মধ্যে শুটিংয়ের জন্য আবার একটি নতুন আবেদন করা হয়। পুরসভার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আবেদনকারী তাঁদের আশ্বাস দিয়েছিলেন, সেটে কোনও দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করা হবে না। এর পর শর্তসাপেক্ষে অনুমতি দেওয়া হয়।

সেই আশ্বাস সত্ত্বেও নাকি ১৪ ফেব্রুয়ারি রাত ১২.৪৫ মিনিটে পুরসভার এক কর্মকর্তা শুটিংস্থলে গিয়ে দেখেন, সেটে গ্যাসভর্তি একাধিক টর্চ জ্বালানো হয়েছে। এ রকম পাঁচটি ‘দাহ্য টর্চ’ বাজেয়াপ্ত করা হয়। ফের প্রযোজনা সংস্থা থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়, আগামী দিনে আগুনের সঙ্গে সম্পর্কিত সব দৃশ্য ভিএফএক্স ব্যবহার করে তৈরি করা হবে। কিন্তু বৃহন্মুম্বই পুরসভার কর্মকর্তারা আশ্বস্ত হতে পারছেন কই? সম্ভবত একের পর এক ঘটে যাওয়া ঘটনা থেকেই তাঁরা আদিত্য ধরের প্রযোজনা সংস্থাকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement