মিমি চক্রবর্তীর নামে চার্জশিট তনয় শাস্ত্রীর। ফাইল চিত্র।
বনগাঁ আদালতে মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠিত হল। ২ জুন বনগাঁ আদালতে অভিযোগকারী তনয় শাস্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে নায়িকার বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠিত হয়। আনন্দবাজার ডট কম-কে এই খবর জানিয়েছেন তনয় স্বয়ং। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আদালতে হাজিরা দিতে হতে পারে মিমিকে, এমনই দাবি তাঁর।
এই প্রসঙ্গে তনয় আরও বলেন, “মিমি এক দিনও আদালতে হাজিরা দেননি। ২ জুনও আসেননি। বদলে তাঁর আইনজীবী এসেছিলেন। তারিখের পর তারিখ চেয়ে গিয়েছেন। তিনি আসলে বিষয়টিকে এ ভাবেই ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তাই আমার আইনজীবী ও বিজেপির বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি আদালতে মিমির বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠনের আবেদন করেন।” আদালত তাতে অনুমতি দেওয়ায় সেই মতো পদক্ষেপ করেছেন তনয়ের আইনজীবী। তনয়ের কথায়, “অন্যায় করেছেন, তার শাস্তি পেতেই হবে। আদালতে হাজিরা দিতেই হবে মিমিকে। আমিও এর শেষ দেখে ছাড়ব। উনি অকারণে আমায় জেলে পাঠিয়েছেন।”
মিমি কি পদক্ষেপ করতে চলেছেন? জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল অভিনেত্রীর সঙ্গেও। ফোন এবং হোয়াট্সঅ্যাপ বার্তায় নায়িকা অধরা।
বনগাঁকাণ্ডের সূত্রপাত চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি। ওই দিন বনগাঁর গোপালগঞ্জ এলাকায় রাতে মঞ্চানুষ্ঠান করতে যান অভিনেত্রী মিমি। তাঁর অভিযোগ, অনুষ্ঠান চলাকালীন ‘অভদ্র ভাবে’ মঞ্চ থেকে তাঁকে নেমে যেতে বলেন তনয়। এই মর্মে তিনি পরে স্থানীয় থানায় ই-মেল মারফত লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। পুলিশ সূত্রে খবর, মিমির অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্তের কাজে তনয় শাস্ত্রীর বাড়িতে গিয়েছিল পুলিশ। সেই সময় তাদের কাজে বাধা দেওয়া হয়। সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তনয়কে গ্রেফতার করা হয়। জেল হয় তাঁর। পরে জামিনে ছাড়া পান তিনি।
যদিও মিমির এই অভিযোগ মানতে নারাজ অভিযুক্ত। তনয় আনন্দবাজার ডট কম-কে সেই সময় পাল্টা বলেছিলেন, “আমার কোনও দোষ নেই। মিমি অনেক দেরিতে এসেছিলেন। আমাদের নির্দিষ্ট সময়ে অনুষ্ঠান শেষ করতে হত। আমরা সেটাই করেছি। মিমির সঙ্গে আমরা কোনও খারাপ আচরণ করিনি।”