WB Assembly Elections Results

‘ক্ষমতায় এসেছে ঠিক আছে, কিন্তু প্লিজ় মাছ-মাংস খেতে বারণ করলে সমস্যা’, আর কী বললেন নেটপ্রভাবীরা?

সন্ধ্যা নামার আগেই বাংলা জুড়ে ফুটল পদ্মফুল। জেলায় জেলায় উচ্ছ্বাস। পালাবদলের এই হাওয়ায় কেউ বিস্মিত, কেউ আবার আশা করছেন সুদিন ফেরার। কী ভাবছেন নেটপ্রভাবীরা?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ মে ২০২৬ ০৮:৫৯
Share:

বাংলা জুড়ে ফুটল পদ্মফুল, কী ভাবছেন নেটপ্রভাবীরা? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

৪ মে সকাল থেকেই রাজ্যের মানুষের সামনে একটাই প্রশ্ন, পালাবদল কি হচ্ছে? না কি প্রত্যাবর্তনই ঘটবে? অফিস থেকে বাড়ি, হেঁশেল থেকে রাস্তা, বাস থেকে মেট্রো, সাধারণ মানুষের চোখ ছিল বিভিন্ন মাধ্যমের খবরের দিকে। সন্ধ্যা নামতে না নামতেই রাজ্য জুড়ে দিকে দিকে ফুটল পদ্মফুল। জেলায় জেলায় উচ্ছ্বাস। পালাবদলের এই আবহাওয়ায় কেউ বিস্মিত, কেউ আবার আশা করছেন সুদিন ফেরার। কী ভাবছেন রাজ্যের নেটপ্রভাবীরা?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কমের দফতরে এসে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর শুভম চৌধুরী তাঁর চেনা স্টাইলে বললেন, ‘‘বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে ঠিক আছে, কিন্তু প্লিজ়, মাছ-মাংস খেতে কিন্তু বারণ কোরো না। বিশ্বাস করো, প্রতি রবিবার আমি খাসির মাংস ছাড়া থাকতেই পারি না!’’ মজা করে এ কথা বলার মাঝেই তিনি এও বলেন, ‘‘মানুষ ইস্যু মনে রেখে ভোট দেন না। মানুষ চান সকলের মঙ্গল হোক। যিনি মঙ্গলে থাকবেন, তিনি বুধেও থাকবেন। আমি কয়েক বছর বেঙ্গালুরুতে কাজের সূত্রে থাকতাম। আমি তাই অবশ্যই চাইব, যে সরকারই আসুক না কেন, ঘরের ছেলেমেয়েরা ফিরে আসবে। রাজ্যে যেন কর্মসংস্থান আরও আরও বেশি হয়।’’

বিজেপি ভোটের প্রচারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, ক্ষমতায় এলে নারীসুরক্ষার দিকটা সুনিশ্চিত করা হবে। এই বিষয়ে নেটপ্রভাবী ঝিলম গুপ্তের মত, ‘‘সব দলই বলে, ক্ষমতায় এলে তারা নারীদের সুরক্ষা দেবে। হাথরসের ঘটনা যেখানে হয়েছে সেখানেও এই কথাগুলো বলেছিলেন বিজেপি নেতারা। তাও তো হয়েছে। কোনও দল নিশ্চয়ই কামনা করে না যে, নারীদের উপর নির্যাতন হোক। তবে আমি মনে করি, তারা যখন প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সেটা রাখার চেষ্টা করবে। এবং আমি সেটা চাইও। আমি চাইব শুধু রাজ্য কেন, এই পৃথিবীতে কোথাও নারী নির্যাতন যেন না হয়।’’

Advertisement

নেটপ্রভাবী হওয়ার পাশাপাশি ঝিলম লেখকও বটে। তাই তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, বিজেপি এবং তৃণমূলকে নিয়ে কোনও বই লিখলে শিরোনাম কী হবে? ঝিলমের সাফ জবাব, ‘‘আমি সেই অর্থে লেখক নই। দুটো বই লিখলেই কেউ লেখক হয়ে যায় না। আর আমি বিজেপি, তৃণমূল, কংগ্রেস— কাউকে নিয়েই কোনওদিন বই লিখব না। তবে শিরোনাম চাইলে বিজেপির জন্য রাখব ‘শ্রীচরণ কমলেষু’, আর তৃণমূলের শিরোনাম রাখব ‘ফুলের ঘায়ে মূর্ছা যায়।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement